বিশ্বকাপের শুরুটা দারুণ হয়েছিল পাকিস্তানের। প্রথম দুই ম্যাচে বড় জয়ে পেয়েছিল নেদারল্যান্ডস ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। এরপরই ছন্দপতন। টানা দুই ম্যাচে হেরেছে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে চাপে পড়লেও শেষের দিকে ইফতিখার ঝড়ে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ পেয়েছে তারা। রশিদ-নুরদের সামলে আফগানদের ২৮৩ রানের লক্ষ্য দিয়েছে পাকিস্তান।
চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরাম স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাটের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। আবদুল্লাহ শফিক ও বাবরের ফিফটিতে নির্ধারিত ওভার শেষে ৭ উইকেটে ২৮২ রানে থেমেছে পাকিস্তান।
শুরুটা ভালোই পেয়েছিল পাকিস্তান। দুই ওপেনার আবদুল্লাহ শফিক ও ইমাম উল হক তুলেছেন ৫৬ রান। ১১তম ওভারের প্রথম বলে ইমামকে ফেরান আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ২২ বলে ১৭ রান করেন এই ওপেনার। ২২.৩ ওভারে শফিককে ফেরান নুর আহমেদ। ৭৫ বলে ৫৮ রান করেন শফিক।
এক ওভার পরেই ফের আঘাত হানেন নুর। ফেরান ইনফর্ম ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানকে। ১০ বলে ৮ রান করেন রিজওয়ান। ১২০ রানে তিন ব্যাটারকে হারিয়ে রান তোলার গতি কমে যায় পাকিস্তানের। ৩৪তম ওভারের শেষ বলে ৩৪ বলে ২৫ রান করা সৌদ শাকিলকে ফেরান মোহম্মদ নবী।
এক প্রান্ত আগলে রাখা বাবর আজমকে নিজের তৃতীয় শিকার বানান নুর। ৪১তম ওভারের পঞ্চম বলে দলীয় ২০৬ রানে নবীর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান বাবর। ৯২ বলে ৭৪ রান তোলেন পাকিস্তান অধিনায়ক।
ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে শাদাব খানকে সঙ্গী করে ব্যাটে ঝড় তোলেন ইফতিখার আহমেদ। চার-ছক্কার ফুলঝুরিতে এই জুটিতে সংগ্রহ করেন ৭৩ রান। ইনিংস শেষের চারবল বাকী থাকতে নাভিন উল হকের শিকার হন ইফতিখার। চারটি ছক্কা ও দুটি চারে ২৭ বলে ৪০ রানে ফেরেন এই অলরাউন্ডার।
এরপর ইনিংসের শেষ বলে লংঅনে উড়িয়ে মারতে গিয়ে নবীর হাতে ক্যাচ দেন শাদাব। ৩৮ বলে ৪০ রান করেন তিনি। শাহিন তিন বলে ৩ রানে অপরাজিত ছিলেন।
আফগানিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নিয়েছেন নুর আহমেদ। নাভিন উল হক নেন দুটি। এছাড়া মোহাম্মদ নবী ও আজমতুল্লাহ ওমরজাই নেন একটি করে উইকেট।








