পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, পদ্মা অববাহিকার বিশাল কৃষি অঞ্চলকে মরুময়তা থেকে বাঁচাতে ও শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে ‘পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প’ গ্রহণ করা হয়েছে। ২০৩৩ সালের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আজ ১৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সংসদে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জুড়ে বিস্তৃত এবং যেখানে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি মানুষ বসবাস করে। প্রকল্পটি নদী নির্ভরশীল জনগণের জীবন রক্ষাকারী প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত।
পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের ধারণা দীর্ঘদিনের। ১৯৬০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত সময়ে প্রকল্পটি প্রণয়নের উদ্দেশ্যে মোট চারটি সমীক্ষা পরিচালিত হয়। পরে ২০০২ সালে প্রাক-সম্ভাব্যতা সমীক্ষার মাধ্যমে সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণ করা হয়। ২০০৪ সালে ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি বিস্তারিত সমীক্ষা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়, যা ২০১৩ সালে সম্পন্ন হওয়ার পর, প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ নকশা চূড়ান্ত করা হয়।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারেও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে প্রকল্পের ডিপিপি ইতোমধ্যেই প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটির প্রস্তাবিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ সাল থেকে জুন ২০৩৩ পর্যন্ত।








