পাবনায় শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত পদ্মার দুর্গম চরের শিশুরা। বিদ্যুৎসহ জীবনধারণের আধুনিক কোন সুযোগ সুবিধা না থাকায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন চরবাসী। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
পদ্মা-যমুনা, বড়াল-গুমানি নদী বেষ্টিত জেলা পাবনা। গত দু’দশকে এখানে শহরকেন্দ্রিক শিক্ষা এবং চিকিৎসাসহ আধুনিক জীবন ব্যবস্থার যথেষ্ট উন্নয়ন হলেও পদ্মা ও যমুনার অর্ধ শতাধিক চরের মানুষ এখনো অবহেলিত। সদর উপজেলার রাধাকান্তপুর দুর্গম পদ্মাচরে এখনো জ্বলেনি বিদ্যুতের আলো। ইচ্ছা থাকলেও এখানকার শিশুরা শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এলাকাবাসী বলছে, আশপাশের পাঁচ ছয় কিলোমিটারের মধ্যে কোন স্কুল না থাকায় তারা সন্তানদেরকে স্কুলে দিতে পারছেননা। দুরে যে স্কুলটা আছে সেটাতে যেতে গেলেও একটা নদী পার হতে হয়। এত দূরের হাটা রাস্তায় বর্ষাকালেও কষ্ট, শুকনা কালেও কষ্ট। তাই তারা বাচ্চাদেরকে স্কুলে পাঠাতে পারেননা।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নিখিল চন্দ্র হালদার বলেন, আমি নিজ উদ্বোগে সেখানে যাবো এবং যেখানে যেখানে স্কুল করা প্রয়োজন সেটা দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
দুর্গম চর এলাকায় নতুন করে স্কুল স্থাপন ও পুরনো মাধ্যমিক পর্যায়ে স্কুলগুলোকে সরকারি সহযোগিতার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন চরবাসী।
অন্যদিকে শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন পাবনা জেলা প্রশাসকও।







