মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে গতকাল বুধবার ২ অক্টোবর বিকেল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়, যা থেমে থেমে সারারাত চলে। এতে রাজধানীজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে নগরবাসী।
বৃহস্পতিবার ৩ অক্টোবর সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে। এতে পানিতে ডুবে গেছে রাজধানীর বেশ কয়টি এলাকা। লালবাগ, বকশীবাজার, চাংখারপুল, আজিমপুর, নিউমার্কেট, সায়েন্সল্যাব, ধানমণ্ডি, কলাবাগান, কারওানবাজার, পান্থপথ, গ্রিনরোড, মালিবাগ, মগবাজার এলাকাগুলোতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট। সকালে স্কুল, কলেজ , অফিস-আদালত যেতে ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। ঢাকায় গতকাল রাত ১২টা থেকে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত ৪৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে চট্টগ্রামে, ১২০ মিলিমিটার। কক্সবাজারে ১১৪ ও নোয়াখালীর মাইজদীতে ১০৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

গতকাল থেকে যে বৃষ্টি শুরু হয়েছে, তা কিন্তু লঘুচাপের প্রভাবে হচ্ছে না। আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, এই বৃষ্টি হচ্ছে বায়ুস্তরের ওপরে ঘূর্ণিবাতাসের কারণে। তবে এটি লঘুচাপে পরিণত হতে পারে। এর প্রভাবে আজও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে। আগামীকাল শুক্রবারও বৃষ্টি হতে পারে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।







