পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করার জন্য ইসলামাবাদ পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন। ইমরান খান যেন জামিন না পান; এমন ধারায় তাকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দিয়েছে তারা।
আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ডয়েচ ভেলে জানিয়েছে, গতকাল ২৪ জুলাই সোমবার ইসলামাবাদ পুলিশকে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে আটক করে আজ মঙ্গলবারের মধ্যে তাদের সামনে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন (ইসিপি)। তারা জানায়, ইমরান খান যেন জামিন না পান; এমন ধারায় তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
এই বিষয়ে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের চার সদস্যের বেঞ্চ জানিয়েছে, বার বার বলা সত্ত্বেও ইমরান খান নির্বাচন কমিশনের সামনে আসেননি। তাই তাকে গ্রেপ্তার করে সামনে হাজির করার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, ইমরান খান ও তার দলের দুই নেতা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং কমিশনের বিরুদ্ধে মানহানিকর মন্তব্য ও অভিযোগ করেছেন।
ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার নির্বাচন কমিশন থেকে পাঠানো নোটিশটি ইমরান খানের লাহোরের বাড়িতে তার একজন আইনজীবী গ্রহণ করেছেন। সেখানে ২৫ তারিখে অর্থাৎ আজ নির্বাচন কমিশনের সামনে হাজির থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পর ইমরান খান ইউটিউবে একটি ভিডিও বার্তায় সমর্থকদের বলেন, জেলে যাওয়ার জন্য তৈরি আছেন তিনি। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে যত মামলা দায়ের করা হয়েছে, সব মিথ্যা ও ভুয়া। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ তাকে জেলে পাঠাতে চাইছেন।
এর আগে টেলিভিশনে ইমরান খানের ভাষণ সম্প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে পাকিস্তানের মিডিয়ার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তারপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও বার্তা পোস্ট করে থাকেন ইমরান খান। তিনি বলেন, মিডিয়া এখন সরকারের নিয়ন্ত্রণে। ওরা এখন সব চ্যানেলকে সরকারি চ্যানেলে পরিণত করেছে।
গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলায় জামিন পেয়েছেন ইমরান খান। প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার পর তার বিরুদ্ধে ১৫০টিরও বেশি অভিযোগে মামলা হয়েছে।







