পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ঢাকা মহানগরসহ দেশের সকল বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে অভিযান চালিয়ে দামে কারসাজির অভিযোগে ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট ৬ লাখ ৬৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
শনিবার (৯ ডিসেম্বর) ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ ঢাকা মহানগরীতে অধিদফতরের ৪টি টিম বাজারে অভিযান পরিচালনা করে। এছাড়াও অন্যান্য বিভাগীয় শহরসহ দেশের সর্বমোট ৫৪টি জেলায় একযোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, সারাদেশে ৫৭টি টিম কর্তৃক বাজার অভিযানের মাধ্যমে ১৩৩টি প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট ৬ লাখ ৬৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভোক্তা অধিকার রক্ষায় অধিদপ্তরের এ কার্যক্রম আজ রোববারও (১০ ডিসেম্বর) অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (০৮ ডিসেম্বর) এক আদেশে, ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রফতানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ভারত। মূলত দেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে ভারত সরকার আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রফতানি নিষিদ্ধ করার এ পদক্ষেপ নেয়।
ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড (ডিজিএফটি) জানায়, পেঁয়াজের রফতানি নীতি ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি দেওয়া হবে, তবে তা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অনুরোধের পর কেন্দ্রীয় সরকার থেকে দেওয়া প্রদত্ত অনুমতির ভিত্তিতে।
চলতি বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো তিন কৃষিপণ্য আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের দাম নির্ধারণ করেছে সরকার। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের আলোকে দেশি পেঁয়াজের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬৪-৬৫ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। সরকার নির্ধারিত এই দাম কার্যকর না হলেও সেই সময় ভোক্তা অধিকারের অভিযান ও আমাদানির ফলে ৭০-৮০ টাকায় নেমে আসে পেঁয়াজ। আবারও সেই পেঁয়াজের বাজারে শুরু হয়েছে অস্থিরতা।







