চোট ও অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা পান অ্যাডাম জাম্পা। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে পিঠ, ঘাড়, কাঁধের চোটের পাশাপাশি ইনফ্লুয়েঞ্জায় ভুগছিলেন এই লেগস্পিনার। দলের হয়ে আসরের সব ম্যাচেই মাঠে নামেন। শুরুটা ভালো না হলেও নিজের চেনা ছন্দে ফিরতে শুরু করেছেন ৩১ বর্ষী অজি ক্রিকেটার।
ভারতের বিপক্ষে ছিলেন খরুচে, ৮ ওভারে ৫৩ রান দিয়ে পাননি কোনো উইকেট। পরের ম্যাচে প্রোটিয়া ব্যাটার রসি ফন ডার ডুসেনের উইকেট পেলেও ১০ ওভারে ৭০ রান দেন।
টানা দুই ম্যাচ বড় ব্যবধানে হেরে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ঘুরে দাঁড়ায় অস্ট্রেলিয়া। বল হাতে ৮ ওভারে ৪৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট পাওয়া জাম্পা হন ম্যাচ জয়ের নায়ক।
বেঙ্গালুরুতে শুক্রবারের খেলায় ৩৬৮ রানের বড় লক্ষ্য সাবলীলভাবেই তাড়া করছিল পাকিস্তান। অতি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাবর আজম, ইফতিখার আহমেদ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের উইকেট তুলে নিয়ে ক্যাঙ্গারুদের ডেরায় জাম্পা স্বস্তি ফেরান। ১০ ওভারে ৫৩ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট দখল করেন।
জাম্পার পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টির কথাই জানালেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। ম্যাচের পর বললেন, ‘অ্যাডাম জাম্পা দুর্দান্ত ছিল। সে গত দুই সপ্তাহ ধরে বিছানায় ছিল। নিজের জাত সে দেখিয়েছে। মাঝের ওভারগুলোতে একজন সত্যিকারের উইকেট শিকারী। বাবর এবং ইফতিখারের বড় দুটি উইকেট নিয়েছে।’
জাম্পার ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং সতীর্থ মার্কাস স্টয়নিস মনে করেন, ‘চলতি বিশ্বকাপে এটি জাম্পার সেরা স্পেল। হেসেই বললেন, আমি জাম্পার জন্য খুব আনন্দিত। তার ইনফ্লুয়েঞ্জা হয়েছিল, পিঠে ও ঘাড়ে ব্যথা ছিল। খারাপ অবস্থার ভেতর দিয়ে গিয়েছে। কিন্তু আসলেই সে ভালো বোলিং করছে। এ ম্যাচেই তার সেরা বোলিং ছিল বলে আমি মনে করি। আজ সে বিশ্রাম নেবে এবং আগামীকাল শক্তিশালী হয়ে উঠবে।’
মাত্র ছয় দিন আগে অস্ট্রেলিয়া পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে ছিল। দুই জয়ে ৪ পয়েন্ট পেয়ে এখন দলটি টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে। একইসঙ্গে আবারো শিরোপার দৌড়ে ফিরেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।







