চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

এনআরবিসি ব্যাংকের নেতৃত্বে মো. আলী হোসেন প্রাধানিয়া

ঘুরে দাঁড়াবার প্রত্যয়ে নতুন অগ্রযাত্রা

রাজু আলীমরাজু আলীম
৬:৪৭ অপরাহ্ণ ০৫, আগস্ট ২০২৫
সাক্ষাতকার
A A

মো. আলী হোসেন প্রাধানিয়া। বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে একজন দক্ষ, পরীক্ষিত ব্যাংকার, যিনি দীর্ঘ ৩৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা, কর্মনিষ্ঠ এবং সুদূরপ্রসারী চিন্তার মাধ্যমে নিজেকে একজন দূরদর্শী ব্যাংকার, প্রশাসক এবং কর্পোরেট ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

ব্যাংকিং সেক্টরে মো. আলী হোসেন প্রাধানিয়া একজন দক্ষ প্রশাসকই নন বরং একই সাথে একজন শিক্ষক, গবেষক ও চিন্তাবিদ। যিনি ব্যাংকিং শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের পরবর্তী প্রজন্মের পেশাজীবীদের তৈরিতে কাজ করে চলেছেন।

২০২৫ সালের ১২ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের নিযুক্তিতে তিনি এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি-এর স্বাধীন পরিচালক ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার এই দায়িত্ব গ্রহণ কেবল মাত্র একটি প্রশাসনিক পরিবর্তন নয় বরং দেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য একটি নতুন দিকনির্দেশনার সূচনা বলে মনে করা হচ্ছে।

ইতিপূর্বে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আনা মৌলিক সংস্কার, হিসাবের স্বচ্ছতা, আধুনিক অটোমেশন, বিদেশি রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি এবং খেলাপি ঋণ হ্রাস প্রতিষ্ঠানটিকে একটি কার্যকর আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা মো. আলী হোসেন প্রাধানিয়া বর্তমানে এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বরত। এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান দায়িত্বে এসে ব্যাংকটির কর্পোরেট গভর্ন্যান্স, নৈতিক মানদণ্ড ও নিয়মতান্ত্রিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রতি দৃষ্টি দেন। তার সুদূরপ্রসারী নেতৃত্ব ব্যাংকটির চলমান সংকট কাটাতে সহায়তা করবে বলে প্রত্যাশা সবার।

সম্প্রতি তিনি কথা বলেছেন কবি, সাংবাদিক এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্ব রাজু আলীমের সাখে। সাক্ষাৎকারে এনআরবিসি ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন তিনি। বলেন খেলাপি ঋণ ও বর্তমান ব্যাংকিং ব্যবস্থা নিয়ে।

এনআরবিসি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রসঙ্গে মো. আলী হোসেন প্রাধানিয়া বলেন, এনআরবিসি ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে অধ্যাবধি যে সমস্ত স্ট্যাটিউটরি লিকুইডিটি রিজার্ভ আছে সিআরআর আছে এসএলআর আছে-এটা কখনোই মিস করে নাই একদিনের জন্য। ব্যাংকটির লিকুইডিটি ২০ হাজার কোটি টাকার ব্যালেন্স শীটের মধ্যে ৪ হাজার কোটি টাকা সারপ্লাস লিকুইডিটি এখনো এই ব্যাংকটিতে আছে। দুর্নীতি তো হয়েছে। না হলে বোর্ড কেন ভাঙবে? লজিক্যাল কারণ ছিল বোর্ড ভাঙার। এখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল এজেন্ডাটা ছিল কর্পোরেট গভর্ন্যান্সের ঘাটতি। সেই সুশাসনটা প্রতিষ্ঠা করার জন্যই আমাদেরকে এখানে পাঠিয়েছে।

Reneta

আমরা আইডেন্টিফাই করছি যে কোন কোন জায়গাগুলোতে অনিয়ম আছে। অনিয়ম যেখানে আছে সেগুলো আমরা আইডেন্টিফাই করছি। সেগুলো আমরা যথাযথভাবে ফিক্স করার চেষ্টা করছি। যেহেতু এটা মার্চ মাসের ১২ তারিখে অর্ডার হয়েছে তাই এই সময় পর্যন্ত যেটুকু সময় তাতে আমরা বলবো না যে এখানে কর্পোরেট গভর্ন্যান্স বা সুশাসন একবারে ১৬ আনা প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এটা টু আরলি টু পাস এনি কমেন্ট। বাট আমরা আইডেন্টিফাই করার চেষ্টা করছি। কোন কোন জায়গাতে সুশাসনের ঘাটতিগুলো আছে।

ইতিমধ্যে আমরা একটা ফরেন্সিক অডিটেরও আমরা আয়োজন করেছি। সেটা হলে আমরা কনক্লুসিভলি বলতে পারবো যে কোন কোন এরিয়াতে সুশাসনের ঘাটতি ছিল। সেটাকে কোয়ান্টিফাই করতে পারব। সেটার জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে। আরও দু’মাস আমাদেরকে অপেক্ষা করতে হবে। আমাদের ফরেন্সিক অডিটটা যদি কমপ্লিট হয়ে যায় তাহলে আমাদের হাতে যে সমস্ত কাগজ আছে, সেগুলোর সাথে আমরা ফরেন্সিকের কম্পেয়ার করে দেখব।

অন্যান্য ব্যাংকের ৯০-৮০ পারসেন্ট পর্যন্ত বিভিন্ন নেইম ল্যান্ডিং হয়েছে, বেনামি হয়েছে অথবা বিভিন্নভাবে হয়েছে। এনআরবিসির কেসটা কিন্তু একটু ডিফারেন্ট। সেটার সাথে আপনি একসারিতে মিলাতে পারবেন না। মিলানো যাবেও না। কারণটা হলো, এই জায়গাতে যে ওই ব্যাংকগুলোর মধ্যে লিকুইডিটি প্রবলেম ছিল। আমি আগেই বলেছি যে এই ব্যাংকের লিকুইডিটি এখনো ৪ হাজার কোটি টাকা সারপ্লাস আছে। এসেট কোয়ালিটির যদি আপনি কম্পারিজনে আসেন, অন্যান্য ব্যাংকগুলোর তুলনায় বেশি একিউয়ার করা হয়েছে। আমরা নিজেরা উদ্যোগ নিয়েছি এটা করার জন্য। অন্যান্য ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে যেখানে একটা লার্জ পোরশন অফ এসেট খারাপ এসেট। এনআরবিসি ব্যাংকের এসেট কোয়ালিটি কিন্তু অতটা খারাপ না। এখানে আমরা এখনো অ্যাসেসমেন্ট পর্যায়ে আছি। গত বছরে যেটা ডিক্লেয়ার করা হয়েছিল এরাউন্ড ৫%। এ বছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের যে অডিট আসে সেখানে তার চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে ১৭% পারসেন্ট এর মত আমাদের ক্লাসিফাইড আছে। এটা হয়তো যদি একিউআর করি এবং আমাদের মনে হয় যে এটা হয়তো ২০% বা ২৪% বা ২৫% বড়জোর হতে পারে। তো এটা আমরা এসেস করছি এবং ফারদার কোন আপনার খারাপ কোন ল্যান্ডিং আছে কিনা এটা আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের ফরেন্সিকটা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা এটা কনক্লুড করতে পারছি না।

আপনি জানেন, যেই ব্যাংকটা দীর্ঘ এক বছর যাবত এখানে কোন এমডি ছিল না। অর্থাৎ ভারপ্রাপ্ত এমডিকে দিয়ে চালানো হয়েছে। একটা কমার্শিয়াল ব্যাংক কোনদিন এক বছর পর্যন্ত একজন ভারপ্রাপ্ত দিয়ে কিন্তু এটা কখনোই রান করতে পারে না। আমরা মার্চ মাসে আমরা দায়িত্ব নিলাম। তারপার আমরা এটাকে প্রসেস করে একজন দক্ষ ব্যাংকারকে এমডি হিসেবে নিয়োগ দিতে পেরেছি। বাংলাদেশ ব্যাংককে অনেক ধন্যবাদ যে উনারা এটাকে অনুমোদন দিয়েছেন এবং সেই এমডি সাহেব এখন কাজ করছেন। ডক্টর তৌহিদুল আলম খান ভালো একজন ব্যাংকার বলে আমরা জানি এবং উনাকে আমরা নিয়োগ দিয়েছি। উনি ভালো কাজ করছেন। আমরা আশাবাদী যে বোর্ড এবং ম্যানেজমেন্ট সবাই মিলে আমরা কাজ করতে পারব এবং করছি। আমরা আশা করছি যে খুব তাড়াতাড়ি ওখান থেকে অতিক্রম করে আসতে পারব।

এনআরবিসি ব্যাংক থেকে অর্থ লুটপাট এবং পাচার সম্পর্কে তিনি বলেন, এই কথাগুলো যতক্ষণ পর্যন্ত না আমার হাতে ডকুমেন্টস আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমি কনক্লুসিভ এটা বলতে চাচ্ছি না। বলতে পারব না, অবশ্যই অ্যাসেট কোয়ালিটি যদি গত বছরের থেকে যদি এ বছরে যদি সিগনিফিকেন্টলি যদি বেড়ে যায় তাহলে এটা বড় সমস্যা। এগুলো সঠিকভাবে রিপোর্টিং করা হয় নাই। আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের অডিটের পরে এ বছর ডিসেম্বরের ক্লোজিং এ আমরা এটাকে নিয়ে কাজ করেছি। এরপরে যেটা ফরেন্সিক করব, এই নিরীক্ষার মাধ্যমে আমরা এসেট কোয়ালিটিটাকে বের করে নিয়ে আসতে পারবো। তারপরেই আমরা এটাকে প্রকৃত অর্থে বলতে পারব যে, আসলে আমাদের কি পরিমাণ খেলাপি ঋণ আছে। অবশ্যই এটা আমি কনক্লুড করছি যে আপাতত আমরা যেটা দেখছি সেটা অন্যান্য ব্যাংকগুলোর সাথে কম্পেয়ার করা যাবে না।

বিগত রিজিমে যে ১৫ বছর সময়ের মধ্যে ব্যাংকগুলো যেটা লুটপাট হয়েছে, বেনামিতে ঋণ হয়েছে, বিশ্বের আর কোথাও এমন হয় নাই। কাগজের উপরে উইথড্র করে নিয়ে চলে গেছে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা। এই কাজগুলো একটা নিন্দনীয় কাজ। একটা দেশের জন্য, একটা অর্থনীতির জন্য। এর চাইতে ক্ষতিকর কাজ আর পৃথিবীতে কোনটা হতে পারে না এবং যেটি বাংলাদেশে হয়েছে এটা একটা ইউনিক ইনস্টেন্স। এটা শুধুমাত্র বাংলাদেশেই হয়েছে। পৃথিবীতে হয়ত আর এই ধরনের ঘটনা ঘটবেও না। ভবিষ্যতেও কোনদিন ঘটেও নাই আর ঘটবেও না। সুতরাং এটা নিন্দনীয়। বিভিন্ন সরকারের এজেন্সিগুলো করছে। যারা এই অপরাধ করেছে এই অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। মানুষের আস্থা অর্জন করতে হলে বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং বিচার করা উচিত। বিচার শুরু হয়েছে।

এনআরবিসি ব্যাংকের বর্তমান খেলাপি ঋণের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে আলী হোসেন প্রধানিয়া বলেন, এই ব্যাংকের খেলাপি ঋণ শেষ পর্যন্ত সম্ভবত একটি সহনীয় পর্যায়ে আসবে বলে আমি মনে করি। আমরা সেই অবস্থান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারব। তবে এখনই আমি কোন চূড়ান্ত মন্তব্য করতে রাজি নই। মার্চ মাসে খেলাপি ঋণের হার কত ছিল, ডিসেম্বর মাসে কত ছিল—এসব সংখ্যা আমি বলতে পারি। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত আমার অ্যাসেট কোয়ালিটি রিভিউ (AQR) সম্পূর্ণ না হচ্ছে, অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বা সেরা কোন নিরপেক্ষ অডিট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পদের গুণগত মান যাচাই না হচ্ছে, ততক্ষণ আমি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারব না।

এ পর্যন্ত অভিজ্ঞতার আলোকে ব্যাংকটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, গত চার মাসে এই ব্যাংক পরিচালনার অভিজ্ঞতায় আমার মনে হয়েছে, এই ব্যাংকের পরিস্থিতি অন্যান্য অনেক ব্যাংকের সঙ্গে সরাসরি তুলনীয় নয়। এটি একটি বিশেষ প্রেক্ষাপটের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। আর একটি বিষয় আমি খোলাখুলিভাবে বলি—পরিচালনা পর্ষদে যেসব ব্যক্তির নাম আপনি উল্লেখ করেছেন, তাদের নিয়ে যদি কোনো প্রশ্ন না থাকত, তাহলে হয়তো তাদের এখানে আসার প্রয়োজন হতো না। এটা স্পষ্ট যে পূর্বে এমন কিছু কর্মকাণ্ড হয়েছে যা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে রিপোর্ট হয়েছে। এখন আমাদের প্রধান দায়িত্ব হলো—এই অনিয়মগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সংশোধন করা এবং ভবিষ্যতে যেন আর কোনো ক্ষতি না হয়, সে নিশ্চয়তা নিশ্চিত করা। প্রথম কাজ হলো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সুশাসনের অভাব দূর করা, এবং এরপর যে ক্ষতি হয়েছে তা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করা।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সহযোগিতা প্রাপ্তি বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে যেভাবে রেগুলেটরি নিয়মাবলী কঠোরভাবে আরোপ হচ্ছে এবং ব্যাংকগুলোকে যেভাবে তদারকি করা হচ্ছে, তাতে এই প্রক্রিয়াটি আরও কার্যকর হবে বলেই আমি মনে করি। ‘রিস্ক-বেসড সুপারভিশন’ এখন চালু হয়েছে, এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। আমরা যেকোন সময়ে রেগুলেটরের কাছ থেকে পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা পাচ্ছি। তারা যথেষ্ট সহযোগিতা করছেন এবং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার যে উদ্যোগ তারা নিচ্ছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

এনআরবিসি ব্যাংকের মার্কেটিং এবং ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম সম্পর্কে আলী হোসেন প্রাধানিয়া জানান, এনআরবিসি ব্যাংক এই দিক থেকেও পিছিয়ে নেই। ডিজিটাল ও প্রিন্ট মিডিয়ায় আমাদের প্রচার রয়েছে। আমাদের প্রোডাক্ট যেমন—ক্রেডিট কার্ড থেকে শুরু করে রেমিট্যান্স সেবা—সবকিছুই প্রচারে রয়েছে। তবে আমি মনে করি, আমাদের ব্রাঞ্চ নেটওয়ার্কের সম্প্রসারণ একটু বেশি দ্রুতগতিতে হয়েছে। এটি আরও সংগঠিত ও সুপরিকল্পিতভাবে হওয়া দরকার ছিল।

আলী হোসেন প্রাধানিয়া এনআরবিসি ব্যাংকের রপ্তানি ও আমদানি কার্যক্রমে অবস্থান প্রসঙ্গে জানান, এখন দেশের শীর্ষ ব্যাংকগুলোর মধ্যে এক্সপোর্ট ও ইমপোর্ট কার্যক্রমে প্রথম সারিতে রয়েছে। চলতি অর্থবছরে আমরা প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। আমদানির ক্ষেত্রেও লক্ষ্যমাত্রা কাছাকাছি ধরা হয়েছে। এই খাতে আমাদের অগ্রগতি সন্তোষজনক।

রেমিট্যান্স আহরণে ব্যাংকের কার্যক্রম এনআরবিসি ব্যাংকের কার্যক্রম সম্পর্কেও কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, এই জায়গাতে আমরা কিছুটা পিছিয়ে আছি। যে পরিমাণ ব্রাঞ্চ ও নেটওয়ার্ক আমাদের রয়েছে, তার তুলনায় বিদেশি রেমিট্যান্স আহরণের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হওয়া উচিত। কৃষি ব্যাংক এক সময় এই খাতে পিছিয়ে থাকলেও এখন প্রতি মাসে ৭. ৫ মিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স সংগ্রহ করছে। আমি নিজে সেখানে দায়িত্বে থাকাকালীন বিদেশি এজেন্টদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে তাদের মধ্যে সেবা প্রদানের মানসিকতা তৈরি করেছিলাম। এনআরবিসি ব্যাংকে যোগদানের পর আমি ও আমাদের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট দেশের সব রেমিট্যান্স কোম্পানি ও এগ্রিগেটরদের সঙ্গে বসেছি। আমরা আলোচনা করেছি—কীভাবে এই চ্যানেল আরও শক্তিশালী করা যায়। সে লক্ষ্যে কাজ চলছে। আমি আশাবাদী, এক বছরের মধ্যে রেমিট্যান্স সংগ্রহের দিক থেকে এনআরবিসি ব্যাংকের অবস্থান দৃশ্যমানভাবে পরিবর্তিত হবে।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: এনআরবিসি ব্যাংককর্পোরেট ইনফ্লুয়েন্সারনতুন অগ্রযাত্রামো. আলী হোসাইন প্রাধানিয়ারিস্ক-বেসড সুপারভিশন
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

৩ বছরের মধ্যে পেঁয়াজ এবং আদা উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে দেশ

জুন ১৫, ২০২৬

ব্র্যাকের অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিখন তরীর বহরে যুক্ত হলো নতুন তিন তরী

জুন ১৫, ২০২৬

স্বর্ণযুগের কিংবদন্তী অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মিলনমেলা চ্যানেল আই কার্যালয়ে

জুন ১৫, ২০২৬

‘মনিবিস্কুট চ্যানেল আই বিশ্বকাপ ২০২৬’এর বিশেষ আয়োজনে চলচ্চিত্র জগতের মহাতারকারা

জুন ১৫, ২০২৬

সাংবাদিকদের সত্যকে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

জুন ১৫, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT