নর্থ কোরিয়ার নেতা কিম জং উন নিহত বা অক্ষম হয়ে পড়লে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পারমাণবিক হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করেছে দেশটি। সম্প্রতি নর্থ কোরিয়ার সংবিধানে সংশোধন এনে এই বিধান যুক্ত করা হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে।
আজ (৯ মে) শনিবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, গত ২২ মার্চ পিয়ংইয়ংয়ে অনুষ্ঠিত নর্থ কোরিয়ার ১৫তম সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলির প্রথম অধিবেশনে এই সংশোধনী অনুমোদিত হয়। পরে দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা বিষয়টি দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানায়।
সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, নর্থ কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণে থাকবেন কিম জং উন। তবে বিদেশি শক্তির হামলায় দেশের পারমাণবিক কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বিপদের মুখে পড়লে ‘স্বয়ংক্রিয় ও তাৎক্ষণিকভাবে’ পারমাণবিক হামলা চালানো হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে দেশটির শীর্ষ নেতাদের হত্যার ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে এমন পদক্ষেপ নিতে পারে পিয়ংইয়ং। সেখানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা নিহত হওয়ার পর নর্থ কোরিয়া নিজেদের নিরাপত্তা কৌশল নতুনভাবে মূল্যায়ন করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কিম জং উন ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক। তিনি সাধারণত বিমানে ভ্রমণ এড়িয়ে চলেন এবং ভারী সাঁজোয়া ট্রেন ব্যবহার করেন। তার সঙ্গে সবসময় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে।








