চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে খালেদা জিয়ার মৃত্যু ও গৌরবময় রাজনৈতিক জীবন

চ্যানেল আই অনলাইনচ্যানেল আই অনলাইন
৪:১১ অপরাহ্ণ ৩০, ডিসেম্বর ২০২৫
- সেমি লিড, রাজনীতি
A A

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী গণমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস আজ এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া বিবৃতির বরাত দিয়ে পত্রিকাটি খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। তবে, মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

নিউইয়র্ক টাইমস উল্লেখ করেছে, দক্ষিণ এশিয়ার উদীয়মান এই দেশটির ভাগ্য নির্ধারণে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে চলা দুই রাজনৈতিক পরিবারের এক ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার অবসান ঘটলো খালেদা জিয়ার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে। তিনি তিন মেয়াদে দেশটির নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং আরেক রাজনৈতিক পরিবারের প্রধান শেখ হাসিনার সঙ্গে পালাক্রমে ক্ষমতায় ছিলেন। এই দুই নেত্রীর পালাক্রমে ক্ষমতায় আসা-যাওয়াই দীর্ঘদিন বাংলাদেশের রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণ করেছে।

পত্রিকাটি তাদের প্রতিবেদনে লিখেছে, স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে সামরিক শাসন ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়ার উত্থান। তিনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও সাবেক সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী। জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালে নিহত হন। তাঁর মৃত্যুর পরপরই খালেদা জিয়া রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং দ্রুত বিএনপির নেতৃত্বে আসেন।

নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, জীবনের শেষ দশকে খালেদা জিয়াকে চরম রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ হাসিনার শাসনামলে তাঁকে যেতে হয় কারাগারে অথবা গৃহবন্দি অবস্থায় থাকতে হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছিল একের পর এক মামলা। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস এবং লিভারের জটিলতাসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁকে প্রায়ই কড়া নিরাপত্তার মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হতো।

Reneta

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২১ সালে কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাঁকে বিদেশে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ. কে. আব্দুল মোমেনের উদ্ধৃতি দিয়ে পত্রিকাটি জানায়, সরকার তাঁকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি।

নিউইয়র্ক টাইমস আরো লিখেছে, গত বছর শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছেড়ে পালানোর পর খালেদা জিয়া গৃহবন্দিত্ব থেকে মুক্তি পান এবং তাঁর বিরুদ্ধে করা প্রায় এক ডজন মামলা প্রত্যাহার করা হয়। তবে, শারীরিক দুর্বলতার কারণে তিনি হাসপাতালেই ছিলেন। হাসপাতালে থাকা সত্ত্বেও আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে বিএনপি তাঁকে তিনটি আসনে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছিল।

হাসপাতালের বিছানা থেকেই খালেদা জিয়া শেখ হাসিনার পতনকে ‘স্বৈরাচারের পতন’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এক বিবৃতিতে তিনি বলেছিলেন, ‘দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে আমরা ফ্যাসিবাদী ও অবৈধ সরকারের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি।’ নিউইয়র্ক টাইমসের মতে, জনসমক্ষে এটিই ছিল তাঁর শেষ বক্তব্য।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে পত্রিকাটি জানায়, ১৯৪৫ বা ১৯৪৬ সালে দিনাজপুরে জন্মগ্রহণকারী খালেদা জিয়া ১৯৬০-এর দশকে সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর সাধারণ গৃহবধূ থেকে তিনি রাজনীতিতে আসেন। এরপর এরশাদবিরোধী আন্দোলনে আপসহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

প্রতিবেদনে ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ের কথাও উল্লেখ করা হয়, যখন দুই নেত্রীই গ্রেফতার ছিলেন। নিউইয়র্ক টাইমস শেখ হাসিনার একটি সাক্ষাৎকারের বরাত দিয়ে জানায়, সেসময় শেখ হাসিনা দাবি করেছিলেন, খালেদা জিয়াকে ভালো সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন বাড়িতে রাখা হয়েছিল। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে শেখ হাসিনা সরকার খালেদা জিয়াকে সেনানিবাসের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে, যা অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে দেখা হয়।

ব্যক্তিজীবনে তিনি দুই সন্তানের জননী। বড় ছেলে তারেক রহমান বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করে বিএনপির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ছোট ছেলে আরাফাত রহমান ২০১৫ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক দীর্ঘ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটলেও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও ক্ষমতার রাজনীতির ইতিহাসে তিনি এক অবিচ্ছেদ্য ব্যক্তিত্ব।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: খালেদা জিয়াখালেদা জিয়ার মৃত্যুনিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনবেগম খালেদা জিয়া
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

কুরাসাওয়ের জালে জার্মানির ৭ গোলের উৎসব

জুন ১৫, ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে জয় বাংলাদেশ ক্রিকেটের বড় অর্জন: মিরাজ

জুন ১৪, ২০২৬

বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে বিশেষ আয়োজন চ্যানেল আই-আই স্ট্রাইকার

জুন ১৪, ২০২৬

সোশ্যাল ট্রেন্ডে শাকিব খানের রোলেক্স উপহারের খবর

জুন ১৪, ২০২৬

‘দূষণে ম্লান সৌন্দর্য’: শিল্পের ক্যানভাসে পরিবেশের আর্তনাদ

জুন ১৪, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT