এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
স্বাধীনতা দিবসে ঢাকা-ভৈরব বাজার রুটে যাত্রা শুরু হয়েছে নরসিংদী কমিউটার ট্রেন। বুধবার (২৬ মার্চ) সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজার জংশন স্টেশন থেকে ট্রেনটি যাত্রা শুরু করে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ে সহকারি যন্ত্র প্রকৌশলী রেজাউল ইসলাম, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (পরিবহন) পরিদর্শক শাহজাহান পাটোয়ারি প্রমূখ।
স্থানীয়রা জানান, ভৈরব ও নরসিংদীবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবি আজকে পূরণ হলো। এই ট্রেনটি চালু হবার পর এ অঞ্চলের মানুষ রাজধানী শহর ঢাকায় দিনের ভিতরে যার যার কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরতে পারবেন। এছাড়া শহরে ব্যবসা বাণিজ্য ও কৃষিতেও ভূমিকা রাখবে এই রেলপথ।
নরসিংদী কমিউটার ট্রেন সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ভৈরব বাজার জংশন থেকে ঢাকা অভিমুখে যাত্রা শুরু করে নরসিংদী কমিউটার ট্রেন। পরবর্তীতে সকাল সাড়ে ৯ টায় কমলাপুর রেলস্টেশনে রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান নরসিংদী কমিউটার ট্রেনের যাত্রীদের ফুল দিয়ে বরণ করে দিবেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ে সুত্রে জানা যায়, নরসিংদী কমিউটার -১ ট্রেনটি সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ভৈরব বাজার থেকে ছেড়ে ঢাকায় পৌঁছাবে ৯টা ৫ মিনিটে। নরসিংদী কমিউটার-৪ কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ছাড়বে, ভৈরববাজার পৌঁছাবে রাত ৯টা ১০ মিনিটে।
ট্রেন দুটি পথিমধ্যে দৌলতকান্দী, মেথিকান্দা, নরসিংদী, আড়িখোলা, টঙ্গী, ঢাকা বিমানবন্দর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ও তেজগাঁও স্টেশনে যাত্রা বিরতি করবে।
কমিউটার ট্রেন দু’টির টিকিট সংশ্লিষ্ট কাউন্টার হতে ইস্যু করা হবে। ট্রেনে ১১টি বগি রয়েছে। তবে মহিলাদের জন্য ১টি বগি সংরক্ষিত রয়েছে। ট্রেনটিতে ৬৫২ জন যাত্রীর জন্য নির্ধারিত বসার জন্য সিট রয়েছে।
এছাড়াও দাঁড়িয়ে দেড় হাজার যাত্রী ট্রেন ভ্রমণ করতে পারবেন। ট্রেনে নামাযের জন্য নির্ধারিত জায়গা ও ওযুর ব্যবস্থা রয়েছে।
ভৈরব বাজার জংশন স্টেশন মাস্টার ইউসুফ জানান, এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের দাবি আজকে পূরণ হলো। সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ভৈরব স্টেশন থেকে কমিউটান ট্রেন যাত্রা শুরু হয়।
ভোর হবার সাথে সাথে যাত্রীরা স্টেশনে এসে যার যার গন্তব্যে যেতে কাউন্টার থেকে টিকেট সংগ্রহ করেন। তারপর নির্ধারিত সময়ে ট্রেন ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।








