আলোচিত রিয়েলিটি শো ‘মেনস ফেয়ার এন্ড লাভলি চ্যানেল আই হিরো-কে হবে মাসুদ রানা?’র প্রথম রানারআপ সাজ্জাদ হোসেন। গেল বছর ‘এমআর নাইন- মাসুদ রানা’ ছবির মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হয়েছিল তার। এবার তিনি ‘হাফ মুন’ নামের নতুন ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।
রহস্যময় এক পোস্টার প্রকাশের মাধ্যমে বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে যুক্তরাজ্যের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান টিবিআর মাল্টিমিডিয়ার পেজে প্রকাশ করা এর একটি পোস্টার। যা দেখে রহস্যের আঁচ পাওয়া গেছে। একইসঙ্গে ‘হাফ মুন’ বা অর্ধ চন্দ্র নামের যেন যথার্থ প্রয়োগ খুঁজে পাওয়া গেল।
প্রকাশিত ডার্ক ব্লু রঙের পোস্টারে দুটি মুখ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কিন্তু শুধু নায়কের মুখ স্পষ্ট, নায়িকার মুখ অস্পষ্ট; যেন রহস্যে ঘেরা! এর কারণ ছবির নায়িকা কে হচ্ছেন তা আপাতত আড়ালেই রাখতে চান সিনেমা সংশ্লিষ্টরা। পোস্টারে ব্রিজ, ঘড়ি ও নদীর চিত্র ফুটে উঠেছে।
ছবিটি নির্মাণ করবেন তরুণ নির্মাতা ফায়েজ আহমেদ। লন্ডনের নিউহ্যাম সিক্সফোম কলেজ থেকে ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়ার ওপর পড়াশোনা করা এই নির্মাতা এর আগে হলিউডের প্রডাকশনে ‘পার্সি গারভেজ’ নামের সিনেমা নির্মাণ করেছেন। যেটি রয়েছে মুক্তির অপেক্ষায়।
ফায়েজ জানালেন, তার নতুন সিনেমা ‘হাফ মুন’ নির্মিত হবে সত্য ঘটনা অবলম্বনে। তবে সেটিকে খানিকটা ভিন্ন আঙ্গিকে সিনেমাটিকভাবে প্রেজেন্ট করা হবে পর্দায়। যেখানে কোনও অ্যাকশন না থাকলেও এক ধরনের থ্রিলার, সাসপেন্স, রোমান্টিকতা ও পারিবারিক গল্প খুঁজে পাবে দর্শক।
গল্পের খানিকটা ধারণা দিয়ে তরুণ এ নির্মাতা জানান, কোনও অজানা কারণে একটি মেয়ের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়। কিন্তু কী কারণ সেই রহস্য উদঘাটন করবে গল্পের প্রধান চরিত্রে থাকা সাজ্জাদ। আর নায়কের সহযোগিতায় মেয়েটি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে। তবে এই পথ পাড়ি দেওয়া সহজ নয়, বাঁধা-বিপত্তিতে ঠাঁসা। তবে সেই সব বাঁধা অতিক্রম করার গল্পই ফুটে উঠবে সিনেমায়।
সাজ্জাদের ভাষ্য, বরাবরই ভিন্নধর্মী কাজের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে চাই। এতে সংখ্যা কম হলেও মানটা ধরে রাখা যায়। এজন্য এই ছবি করতে অনেক ভেবেচিন্তে সিন্ধান্ত নিতে হয়েছে। চরিত্রের সঙ্গে নিজেকে মানানসই করতে প্রস্তুতি চলছে। আশা করব পর্দায় ভালো কিছু নিয়ে হাজির হতে পারব।
‘হাফ মুন’ ইংরেজি ও বাংলা দুই ভার্সনে নির্মিত হবে। স্ক্রিপ্ট লিখেছেন ইয়েমেনের হাতেম মানিয়া, যিনি হলিউডের স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসেবে কাজ করেন। বাংলা ভার্সনে কাজ করেছেন চিত্রনাট্যকার নাজিম উদ দৌলা। জুলাইয়ের দিকে শুরু হবে দৃশ্যধারণ, চলবে বাংলাদেশ, লন্ডন ও দক্ষিণ আফ্রিকায়।








