সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন কর্তৃক বৈদেশিক মানবিক সাহায্যের অধিকাংশ তহবিল কাটছাঁট করার ফলে ২০৩০ সালের মধ্যে ১৪ মিলিয়ন বা প্রায় দেড় কোটি মানুষের মৃত্যুর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে একটি গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
আজ (১ জুলাই) মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, গবেষণাটি দ্য ল্যানসেট নামক মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। আগাম মৃত্যুর ঝুঁকিতে থাকাদের মধ্যে এক তৃতীয়াংশই শিশু।
ল্যানসেট প্রতিবেদনের সহ-লেখক এবং বার্সেলোনা ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল হেলথ এর গবেষক ডেভিডে রাসেলা বলেন, অনেক নিম্ন এবং মধ্য আয়ের দেশের জন্য, এই তহবিলের অভাব একটি বৈশ্বিক মহামারি বা বড় আকারের সশস্ত্র সংঘর্ষের মত আঘাত হতে পারে। এই কাটছাঁট স্বাস্থ্য খাতে দুটি দশকের অগ্রগতি থামিয়ে দিতে পারে, এমনকি বিপদগ্রস্ত জনগণের জন্য সেসব অগ্রগতি উল্টে যেতে পারে।
গবেষকরা ১৩৩টি দেশের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখতে পান, ২০০১ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ইউএসএআইডি এর সহায়তা ৯১ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যুর বিরুদ্ধে কাজ করেছে, বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশে। গবেষণার মডেলিং থেকে তাদের অনুমান, যে তহবিল ৮৩ শতাংশ কমানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে, তা ২০৩০ সালের মধ্যে ১৪ মিলিয়ন বেশি মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, এখনও ১ হাজার কর্মসূচি বাকি আছে, যা আরও কার্যকরভাবে পরিচালিত হবে, এবং সেগুলোর জন্য মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট এবং কংগ্রেসের সঙ্গে পরামর্শ করা হবে। তবে, জাতিসংঘের কর্মীদের মতে, পরিস্থিতি মাঠে উন্নতি পাচ্ছে না।








