‘জুলাই-আগস্ট গণঅভুত্থান যুক্ত হচ্ছে নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্য বইয়ে। ইতিহাসে যার যতটুকু অবদান ঠিক ততটুকুই জানবে আগামী প্রজন্ম’ এমন মন্তব্য করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানিয়েছে, বাংলাদেশের জন্মের পেছনে শেরেবাংলা, ভাসানী ও জিয়ার যে অবদান আছে তা যুক্ত করা হচ্ছে। থাকছে ৭ই মার্চের ভাষণও।
আজ ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ. কে এম রিয়াজুল হাসান বলেন, ২০২৫ সালের পাঠ্য পুস্তকের কমপক্ষে ৯০ শতাংশ জানুয়ারির মধ্যেই সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে যাবে বলে বলে আশা করছে এনসিটিবি।
তিনি জানান, ছাত্র জনতার আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানসহ বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন করা হয়েছে সামনের শিক্ষাবর্ষে। এরই মধ্যে কয়েকটি শ্রেণিতে নতুন পান্ডুলিপিতে নতুন বই ছাপার কাজও শেষে হয়েছে। এর আগের শিক্ষাবর্ষগুলোতে দেশপ্রধানের ছবি বা একক ব্যক্তিকে নিয়ে শ্লোগান থাকলেও এবার তা থাকছে না।
তিনি আরও জানান, এতে যুক্ত হচ্ছে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান। পাঠ্যপুস্তক থেকে প্রায় সরিয়ে ফেলা শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, মাওলানা ভাসানী ও জিয়াউর রহমানের ইতিহাস গুরুত্ব দিয়ে যুক্ত হচ্ছে। থাকছে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণও। সব অবদানকেই তুলে ধরা হবে পাঠ্যপুস্তকে।
গেল কয়েক বছর আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে মোট বইয়ের বিশাল একটি অংশ ভারত থেকে ছাপার রেওয়াজ থাকলেও এই বছর সব বই ছাপা হচ্ছে বাংলাদেশে।







