প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জাতীয় ঐক্য সবচেয়ে বড় বিষয়। মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু দেশের স্বার্থে সবার আগে বাংলাদেশ।
জেলা প্রশাসক সম্মেলন (ডিসি)-২০২৬-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (৩ মে) রাজধানীর ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে চার দিনব্যাপী এই সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদের প্রতিটি দফা আমরা বাস্তবায়ন করব।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এবারের জেলা প্রশাসক সম্মেলন ৩ থেকে ৬ মে পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা আগের বছরের তুলনায় এক দিন বেশি।
সম্মেলনে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের মোট ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব থেকে বাছাই করে ৪৯৮টি কার্যপত্র অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব প্রস্তাবের মধ্যে জনসেবা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ৪৪টি প্রস্তাব এসেছে বলে জানানো হয়েছে।
সম্মেলনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি
ই-গভর্ন্যান্স ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন,পরিবেশ সংরক্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়ন।
সম্মেলনের অংশ হিসেবে ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে মোট ৩৪টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৩০টি হবে কার্য-অধিবেশন। অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির জানান, সম্মেলনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসকরা রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
এছাড়া প্রধান নির্বাচন কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে কার্য-অধিবেশনও অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মুক্ত আলোচনাসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম এই অধিবেশন কাঠামোর অংশ।
সম্মেলনের অংশ হিসেবে রোববার (৩ মে) রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ, সোমবার (৪ মে) জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ, মঙ্গলবার (৫ মে) সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ
চার দিনব্যাপী এই সম্মেলন বুধবার (৬ মে) শেষ হবে। প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, জনসেবা সম্প্রসারণ এবং নীতিগত সমন্বয় জোরদার করাই এবারের সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।








