কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে ন্যাশনাল হেরাল্ড অর্থপাচার মামলায় ফৌজদারি ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দিল্লি পুলিশের ইকোনমিক অফেন্সেস উইং (ইওডব্লিউ) নতুন একটি এফআইআর দায়ের করেছে। মোট ৬ জন ব্যক্তি ও তিনটি প্রতিষ্ঠানের নামে এ মামলা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
এফআইআরে আরও আছেন, স্যাম পিত্রোদা, সুমন দুবে, সুনীল ভানদারি ও এক অজ্ঞাত ব্যক্তি। একইসঙ্গে নাম রয়েছে এজেএল, ইয়াং ইন্ডিয়ান ও ডোটেক্স মার্চেন্ডাইজ প্রাইভেট লিমিটেডের। অভিযোগ, প্রতারণার মাধ্যমে এজেএল নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়েছে।
ডোটেক্স নামে কথিত একটি শেল কোম্পানি ইয়াং ইন্ডিয়ানকে ১ কোটি টাকা দেয়। অভিযোগ, ওই লেনদেনের মাধ্যমে ইয়াং ইন্ডিয়ান কংগ্রেসকে ৫০ লাখ টাকা দিয়ে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার সম্পদ থাকা এজেএল–এর নিয়ন্ত্রণ নেয়।
ইডি–এর অভিযোগের ভিত্তিতে ৩ অক্টোবর এফআইআরটি করা হয়। এর আগের দিন আদালত ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত রায় ঘোষণা স্থগিত করে।
বিজেপি নেতা শেহজাদ পুনাওয়ালা কংগ্রেসকে আই নিড করাপশন বলে আক্রমণ করে বলেন, কংগ্রেসের পরিবারই সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত।
২০১২ সালে সুব্রহ্মণ্যম স্বামী অভিযোগ করেন, কংগ্রেস নেতারা প্রতারণা করে ন্যাশনাল হেরাল্ড প্রকাশক এজেএল এর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন। আর্থিক সংকটে ২০০৮ সালে ন্যাশনাল হেরাল্ড প্রকাশ বন্ধ হয়ে যায়। পরে কংগ্রেস ৯০ কোটি টাকার ঋণ দেয়, যা শোধ না হওয়ায় তা শেয়ারে রূপান্তরিত হয় এবং ইয়াং ইন্ডিয়ান কোম্পানির হাতে যায়।
ইডি দাবি করছে, মোট অর্থপাচারের পরিমাণ ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি, যার মধ্যে এজেএল এর সম্পদ ২ হাজার কোটি টাকা। ইতোমধ্যে ৬৬১ কোটি টাকার সম্পত্তি ও ৯০ দশমিক ২ কোটি টাকার শেয়ার জব্দ করা হয়েছে।
তাদের তদন্তে পাওয়া গেছে, ১৮ দশমিক ১২ কোটি টাকার ভুয়া অনুদান, ৩৮ কোটি টাকার ভুয়া অগ্রিম ভাড়া ও ২৯ কোটি টাকার অপ্রামাণিক বিজ্ঞাপন।
এছাড়া ডিকে শিবকুমার ও তেলেঙ্গানা মুখ্যমন্ত্রী রেভন্ত রেড্ডির নামও এসেছে অনুদান সংগ্রহে সহায়তার অভিযোগে।








