নতুন এক চ্যালেঞ্জের পরিকল্পনা করেছেন সুনীল নারিন। ৭৫ ঘণ্টার মধ্যে দুই মহাদেশে দুটি ভিন্ন লিগে ৪টি টি-টুয়েন্টি ম্যাচ খেলতে চলেছেন উইন্ডিজ অলরাউন্ডার। যার মধ্যে ১৮ ঘণ্টা থাকবেন ফ্লাইটে, পাড়ি দিতে হবে প্রায় ৯ হাজার মাইল।
আইপিএল শেষ করে ছয় সপ্তাহ ধরে যুক্তরাজ্যের টি-টুয়েন্টি ব্লাস্টে খেলছেন নারিন। সারের হয়ে খেলেছেন সবকটি ম্যাচে। ক্রিস জর্ডানের নেতৃত্বে খেলা দলটির সর্বোচ্চ উইকেট শিকারিও তিনি। ১৫ ম্যাচে নিয়েছেন ২০ উইকেট। ব্যাট হাতে ১২ ইনিংসে ২২.৫৫ গড়ে ১৫৯.৮৪ স্ট্রাইকরেটে ২০৩ রান করেছেন।
৭ জুলাই কোয়ার্টার ফাইনালে ল্যাঙ্কাশায়ারকে হারায় সারে। ম্যাচ শেষে রাতেই লস অ্যাঞ্জেলেস নাইট রাইডার্সের হয়ে মেজর লিগ ক্রিকেট খেলতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হন নারিন। দলটির অধিনায়কও তিনি। ১৩ জুলাই রাতে মেজর লিগ ক্রিকেটের ম্যাচ খেলে ১৫ জুলাই সকালের মধ্যে ইংল্যান্ডে ফিরতে হবে তাকে।
টি-টুয়েন্টি ব্লাস্টের সেমিফাইনালে বার্মিংহ্যামে সারের হয়ে সমারসেটের বিপক্ষে খেলবেন নারিন। সারে সেমিফাইনাল জিতলে একইদিন সন্ধ্যাতেই এসেক্স অথবা হ্যাম্পশায়ারের বিপক্ষে খেলতে হবে ফাইনাল।
ফাইনাল শেষে উইন্ডিজ তারকাকে আবার ফিরতে হবে যুক্তরাষ্ট্রে। ১৭ জুলাই খেলতে হবে লস অ্যাঞ্জেলেস নাইট রাইডার্সের হয়ে এম আই নিউইয়র্কের বিপক্ষে। ৭৫ ঘণ্টার এই সময়ে ৪ ম্যাচ খেলার জন্য নারিনকে পাড়ি দিতে হবে ৯ হাজার মাইল।
নারিনের এমন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন সারে অধিনায়ক ক্রিস জর্ডান। বলেছেন, ‘এটাই পরিকল্পনা। তার সময়সূচি বেশ আঁটসাঁট, এটাই ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট। আমি জানি এভাবে খেলার চ্যালেঞ্জ, কিন্তু যখন প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফেলবেন, সবকিছু সহজ হয়ে যায়।’
“সে একজন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ক্রিকেটার এবং খুব প্রতিশ্রুতিবদ্ধ লোক। ব্যাটিং-বোলিং দুটোই খুব পছন্দ করে। তার খেলার উন্নতি করতে বিভিন্ন খেলোয়াড়ের মুখোমুখি হতে পছন্দ করে। তাকে ‘সুইস আর্মি নাইফ’ ডাকি। যেকোনো পরিস্থিতিতে এবং যেকোনো সময় কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে।”







