মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মতিউর রহমান (৮১) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।
রোববার (২৭ আগস্ট) রাত ১১ টার দিকে নগরীর ধোপাখলা নেক্সাস কার্ডিয়াক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গত বছর একুশে পদক পান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, স্বৈরাচার বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম এই নেতা। ময়মনসিংহের মাটি ও মানুষের নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের বয়স হয়েছিল প্রায় ৮১ বছর।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত, তিন মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী স্বজন রেখে গেছেন।
প্রবীন এই সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ অধ্যক্ষ মতিউর রহমান ১৯৪২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহ সদর উপজেলার আকুয়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা আবদুর রেজ্জাক এবং মা মেহেরুন্নেসা খাতুন।
আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান ও মিত্র বাহিনী সানথ শিং বাবাজীর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর ময়মনসিংহকে মুক্ত ঘোষণা করেন। ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাজারো নেতাকর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক, পেশাজীবি ও সকল শ্রেনী পেশার মানুষ হাসপাতালে ভীড় জমান। এসময় এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
বর্ষিয়ান এই নেতার মৃত্যুর খবরে হাসপাতালে ছুটে আসেন জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গসংগঠনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।








