মার্কিন নির্বাচনে সুইং স্টেট হিসেবে খ্যাত ৭ অঙ্গরাজ্যে এক মিলিয়ন ডলার পুরস্কারে আর কোনো আইনি জটিলতা নেই ইলন মাস্কের। পুরস্কারের এই অর্থ কার পকেটে যাচ্ছে তাও মোটামুটি নির্ধারণ হয়েছে।
সোমবার (৫ নভেম্বর) বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার এক আইনজীবী আইনি জটিলতা শেষের বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং মঙ্গলবার এই জটিলতা শেষ হতে যাচ্ছে।
আইনজীবী জানান, প্রতিযোগী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে লটারি সিস্টেম ব্যবহার করা হয়নি। অর্থ্যাৎ, সকলের ধারণা ছিল এলোমেলোভাবে লটারির মাধ্যমে বাছাই করা হবে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে। কিন্তু না, তাকে বাছাই করা হয়েছে, একটি গ্রুপের মাধ্যমে।
অবশ্য মার্কিন ধনকুবের নির্বাচনের আগ পর্যন্ত তার আর্থিক উপহার দিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হতে পারবেন কিনা, তা এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয় যায়নি।
এর আগে বৃহস্পতিবার মামলার শুনানির জন্য তলব করা হয়েছিল টেসলা ও স্পেস এক্সের মালিককে। পেনসিলভিনিয়ার ওই শুনানিতে বিচারক অ্যানজেলো ফজলিয়েট্টা বলেছেন, মামলাটি গ্রহণ করা হবে কিনা তা যাচাই করছে ফেডারেল কোর্ট। তাই প্রাথমিকভাবে শুনানি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচারণার জন্য উদারহস্তে ডলার খরচ করছেন মার্কিন ধনকুবের। সেই কার্যকলাপের একটা অংশ ছিল ১০ লাখ ডলারের লটারি ঘোষণা। চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সাত অঙ্গরাজ্যের (সুইং স্টেট) ভোটারদের মধ্য থেকে নির্বাচন পর্যন্ত প্রতিদিন একজনকে এই অর্থ প্রদান করার আয়োজন করেন তিনি। লটারিতে অংশগ্রহণের শর্ত ছিল দুটি- নিবন্ধিত ভোটার হতে হবে এবং বাকস্বাধীনতা ও বন্দুক বহন আইনের সমর্থনে একটি পিটিশনে স্বাক্ষর করতে হবে।
মাস্কের এই অর্থ উপহার উদ্যোগ বন্ধের চেষ্টা করছেন ফিলাডেলফিয়া ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি ল্যারি ক্রেসনার। তিনি অভিযোগ করেছেন, চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলোতে ভোটারদের প্রভাবিত করার জন্য এই আয়োজন করেছেন টেসলা ও স্পেস এক্সের মালিক।







