রাজধানীর গুলশান থানাধীন বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোনে অবস্থিত ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে ডিউটিরত কনস্টেবল মনিরুল হককে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। ওই সময় কনস্টেবল কাওসার ৩৮ রাউন্ড গুলি করে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) রিফাত রহমান শামীম বলেন, এ ঘটনায় নিহত মনিরুলের বড় ভাই মাহাবুবুল হক বাদী হয়ে আজ গুলশান থানায় একটি হত্যা মামলা (নং-২) করেছেন। এ মামলায় আসামি কাওসারকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। কী নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছে, তা জিজ্ঞাসাবাদে জানা যাবে।
এর আগে শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টা থেকে ১২টা ৫ মিনিটের মধ্যে রাজধানীর গুলশান-বারিধারার কূটনীতিক এলাকায় ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে গুলিতে নিহত হন কনস্টেবল মনিরুল হক।
এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন জাপান দূতাবাসের এক গাড়িচালকও। তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই ঘটনায় আরেকজন পথচারী আহত হয়েছেন।
ঘটনার খবরে ঘটনাস্থলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত হন। ঘটনাস্থলে নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন করা হয় সোয়াত টিম। পরে রাত পৌনে ২টার দিকে ঘাতক কনস্টেবলকে হেফাজতে নেয় গুলশান থানা পুলিশ।
শনিবার দিনগত ২টার দিকে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন, ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাওসারের হাতে যে এসএমটি সাবমেশিনগান ছিল, সেটি ব্রাজিল থেকে আমদানি করা। এই বন্দুক থেকে ৩৮ রাউন্ড গুলি ছোড়ে কাওসার।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘটনার কিছুক্ষণ আগে কনস্টেবল মনিরুল ও কাওসারের মধ্যে কোনো বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নিজের সঙ্গে থাকা অস্ত্র দিয়ে মনিরুলকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে কাওসার। ইতোমধ্যে এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করা হয়েছে।







