মডেল হিসেবে প্রায় ১৫ বছর যাবত কাজ করে যাচ্ছেন মুনিম এহসান। মডেলিংয়ের পাশাপাশি দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন ফ্যাশন শো, শুটের কোরিওগ্রাফি করেছেন। এর সঙ্গে সঙ্গে একাধিক নাটকে কাজ করা হয়েছে মুনিম এহসানের। তবে তিনি সবসময় চাইতেন সিনেমায় অভিনয় করতে।
১৫ বছর অপেক্ষার পর মুনিমের সেই চাওয়া পূরণ হলো ঈদে মুক্তি পাওয়া ছবি ‘ক্যাসিনো’র মাধ্যমে। যেখানে আরও অভিনয় করেছেন নিরব, বুবলী, তাসনিক, দোয়েলরা। রাজীব সারোয়ারের প্রযোজনায় সৈকত নাসিরের পরিচালনায় এই সিনেমাটি অবৈধ জুয়া ও অর্থ পাচারের গল্প নির্মিত।
মুনিম বলেন, ১৫ বছর যাবত কাজ করেছি, টার্গেট ছিল ভালো মুভিতে কাজের। এর আগে সৈকত ভাই তার ‘দেশা’ ছবিতে আমাকে বলেছিলেন। কিন্তু সেই চরিত্রের সঙ্গে আমাকে যায় নাই। এজন্য করা হয়নি। ‘ক্যাসিনো’ করার আগে সৈকত ভাই আমাকে অফার করেন। তখন দেশের বাইরে ছিলাম। ক্যাসিনো-তে আমি যে চরিত্র করেছি সেটা অনেক বড় অভিজ্ঞতা হয়েছে। এই কাজটি করে আমি অনেক হ্যাপি। মানুষ গ্রহণ করে প্রশংসা করছে।
‘ক্যাসিনো’ ছবিতে নেপালি ইনটিলিজেন্স পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করেছেন মুনিম এহসান। তিনি বলেন, সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশের গোয়েন্দার সঙ্গে নেপালি পুলিশ সহায়তা করে। আমি এই চরিত্রটি করেছি। ছবিতে দেখা যায়, আমি ও নিরব ভাইয়া একটি টিম হয়ে কাজ করি। এ ছবির জন্য পরিচালক আমাকে তিনমাস সময় দেন। এই সময় আমি চরিত্রটির জন্য উপযুক্ত হতে বডি ট্রান্সফর্ম করি।
এত অপেক্ষার পর নায়ক না হয়ে ক্যারেক্টার আর্টিস্ট কেন হলেন? মুনিম বলেন, নায়ক হতে পারবো এই আত্মবিশ্বাস আমার আছে। প্রথম ছবি বলে দেখতে চেয়েছি আমাকে স্ক্রিনে দর্শক কীভাবে গ্রহণ করেন। টেস্ট করলাম। দেখলাম দর্শক আমাকে পছন্দ করছেন। এজন্য আগামীতে আরও ভালো মুভি করার জন্য অনুপ্রাণিত হচ্ছি। আমি মনে করি, ক্যাসিনোতে যে চরিত্রটি করেছি সেটা অনেক শক্তিশালী, নায়কের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়!
মডেল থেকে অভিনয়ে পা রাখা মুনিম বলেন, অভিনয়টা নিয়মিত করতে চাই। কয়েকটি ওটিটিতে কাজের কথাবার্তা চলছে। সবকিছু চূড়ান্ত হলে সবাইকে জানাবো। সবার শুভকামনা চাই।







