দেশে ফেরার প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর ছাদখোলা বাসে উঠেছে বিশ্বজয়ী ভারত দল। ভিড় ঠেলে মুম্বাই বিমানবন্দর থেকে নরিম্যান পয়েন্টে যেতেই সময় লেগে যায় বেশ। সেখানে পৌঁছানোর পর ছাদখোলা বাসে উঠেন রোহিত-শর্মা বিরাট কোহলিরা। মেরিন ড্রাইভ রোড ধরে তাদের গন্তব্য ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। ৩ লাখের বেশি মানুষের জনসমুদ্র ঠেলে গন্তব্য পথে ছাদখোলা বাস চলছে ধীরগতিতে।
বৃহস্পতিবার সকালে বার্বাডোজ থেকে ভারতীয় ক্রিকেটারদের বহনকারী ফ্লাইটটি দিল্লিতে অবতরণ করে। হোটেলে বিশ্রাম শেষে বিশ্বকাপজয়ী দল দেখা করতে যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। কুশল বিনিময়, আলাপ-আলোচনা শেষে দুপুর একটার দিকে কার্যালয় থেকে বের হন খেলোয়াড়রা। সেখান থেকে মুম্বাইয়ের ফ্লাইট ধরার জন্য বিমানবন্দরের দিকে রওনা করেন। স্থানীয় সময় পাঁচটার দিকে মুম্বাইয়ে অবতরণ করে ভারত দলকে বহনকারী উড়োজাহাজ। সেখানে ওয়াটার ক্যানন স্যালুট দেয়া হয় বিশ্বজয়ীদের।
পরে বিমানবন্দর থেকে বাসে নরিম্যান পয়েন্টে যান বুমরাহ-হার্দিকরা। সেখান থেকে ছাদখোলা বাসে চেপে যাচ্ছেন ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে। রোহিত-কোহলিদের স্বাগত জানাতে সকাল আটটা থেকেই মুম্বাইয়ে ঢল নেমেছে জনতার। মুষলধারে বৃষ্টিতে মেরিনড্রাইভ রোড, মুম্বাই বিমানবন্দর ও ওয়াংখেড়েতে বইছে জনসমুদ্র।

বিশ্বজয়ী দলের জন্য ওয়াংখেড়েতে বিশেষ অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করেছে ক্রিকেট বোর্ড। মুম্বাই পুলিশ ও বিসিসিআইয়ের নির্দেশনায় ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সাধারণ মানুষকে অর্থ ছাড়াই ঢুকতে দেয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ২,৩, ৪ নং গেট এবং ইউনিভার্সিটি গেট দিয়ে ঢুকতে পারছে। নিরাপত্তার জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।
ভারত দল মুম্বাই বিমানবন্দরে নামার আগেই শুরু হয়েছে স্টেডিয়ামে ঢোকার হুড়োহুড়ি। বৃষ্টির মাঝে দৌড়ে স্টেডিয়ামে ঢোকার চেষ্টা করছে সমর্থকঢল। ভেঙে পড়েছে ব্যারিকেড। ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। ধারণক্ষমতারও বেশি মানুষ স্টেডিয়ামে ঢুকার পের বন্ধ করে দেয়া হয়েছে গেটগুলো।
বার্বাডোজে ঝড়ের কারণে তিনদিন আটকে থাকার পর বিসিসিআই বিশ্বজয়ীদের দেশে ফেরানোর জন্য চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছিল। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ৭মিনিটে দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণ করে রোহিত-কোহলিদের বহন করা উড়োজাহাজ।








