বাংলাদেশ ইয়ূথ ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেছেন, বাহাত্তরের মুজিববাদী সংবিধান বিলুপ্ত করে ‘৪৭, ‘৫২, ‘৬৯, ‘৭১, ‘৯০ ও সদ্যঘটিত ‘২৪ এর চেতনার আলোকে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে।’
আজ মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার স্থায়ী বিলোপের লক্ষ্যে বাহাত্তরের মুজিববাদী সংবিধান বাতিলের দাবিতে রাজধানীতে বাংলাদেশ ইয়ূথ ফোরাম কর্তৃক এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভ মিছিলটি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিজয়নগর মোড় হয়ে পুরানা পল্টন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মুহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেন, ‘১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার এই তিনটি মহৎ লক্ষ্যকে সামনে রেখে। অথচ মুজিববাদী বাহাত্তরের সংবিধানে এর একটিও প্রতিফলিত হয়নি। ভারতের চাপিয়ে দেওয়া এই সংবিধানে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনাকে ভুলুণ্ঠিত করে শুধু একজন ব্যক্তিকেই মহান করে তুলেছে এবং তারই গুণগান গাওয়া হয়েছে। এই অপাংক্তেয় সংবিধান শুধু একটি পরিবারতন্ত্রেরই সুরক্ষা দিয়ে আসছে। যা মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্ম নেওয়া এই জাতির সঙ্গে প্রতারণার শামিল। তাই অবিলম্বে এই মুজিববাদী সংবিধান বিলুপ্ত করে ‘১৯৪৭, ‘৫২, ‘৬৯, ‘৭১, ‘৯০ ও সদ্যঘটিত ‘২৪ এর চেতনার আলোকে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে।’
সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ সাইদুর রহমান আরও বলেন, সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তকে জনগণ সাধুবাদ জানিয়েছে। কিন্তু এখনো ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। উপরন্তু ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এমনকি মিছিলও করছে। যা দেশবাসী কোনোভাবেই মেনে নিবে না।’
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘ভারতে পালিয়ে গিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানক আজকাল ‘২৪ এর মহানায়কদের ‘কিশোর গ্যাং’ হিসেবে আখ্যায়িত করে চরম ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে। তাই মিডিয়ায় তার ওই সকল আজেবাজে বক্তব্য প্রচারে বিধিনিষেধ আরোপ করতে হবে। নয়তো বিপ্লবের চূড়ান্ত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে যাবে।’
সংগঠনের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শুভর সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন তোফায়েল আহমেদ কায়সার, শেখ শাহীন রেজা টিপু, বিপ্লব হোসেন, ওমর ফারুক প্রমূখ।








