ভারতে উত্তর প্রদেশে অলকা দেবী (৪২) নামে এক নারী তার মেয়ের প্রেমের সম্পর্কে বিরক্ত হয়ে হত্যার জন্য সুভাষ নামে এক ব্যক্তিকে ভাড়া করেন। তবে সেই ভাড়াটে খুনি সুভাষের হাতেই হত্যাকাণ্ডের শিকার হন অলকা দেবী।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ঘটনার মোড় ঘুরে যখন জানা যায়, সুভাষ আসলে অলকা দেবীর মেয়ের প্রেমিক। মেয়ের বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হলে অলকা দেবীকে খুন করে সুভাষ। গত ৬ অক্টোবর উত্তর প্রদেশের ইটা জেলার জসরথপুর থানার একটি ধান ক্ষেত থেকে অলকা দেবীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গত ৫ অক্টোবর একটি মামলা করতে ইটাতে গিয়েছিলেন অলকা দেবী। সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বাসায় না ফেরায় তার স্বামী রমাকান্ত তার মোবাইলে ফোন করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
অনেক খোঁজাখুঁজির পরও অলকা দেবীর সন্ধান না পেয়ে পুলিশের সাথে যোগাযোগ করে তার পরিবার। পরবর্তীতে অলকা দেবীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
শনাক্তের পর অলকা দেবী মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। এদিকে অলকা দেবীর স্বামী রমাকান্ত স্ত্রীর হত্যার অভিযোগে জেলার জসরথপুর থানায় দুই ব্যক্তি অখিলেশ এবং অনিকেতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
জানা গেছে, অখিলেশ এবং অনিকেতের বিরুদ্ধে অলকার মেয়েকে এর আগে অপহরণ করার অভিযোগও রয়েছে।








