যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাবশালী নারী থেরেসা ক্যাচুয়েলাকে তার ৮ বছর বয়সী মেয়ের সামনে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার সাবেক স্বামী ক্যাচুয়েলার (৪৪) বিরুদ্ধে। স্ত্রীকে হত্যা করে পালানোর পর ক্যাচুয়েলা নিজেও আত্মহত্যা করেছেন।
মঙ্গলবার ২৬ ডিসেম্বর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার সকালে পার্লরিজ সেন্টারের পার্কিং এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, থেরেসা তিন সন্তানের জননী এবং ওয়াইপাহুতে হাউস অফ গ্ল্যাম হাওয়াই এলএলসি এর মালিক। তার ৮ বছরের মেয়ে বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। সে জানায়, তার বাবা ট্রিগার টেনেছিল এবং সে এটি প্রত্যক্ষ করেছে। পরে পালিয়ে যাওয়ার পর তিনি নিজেও মারা যান।
নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা উদঘাটন করতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। কারণ, মৃত ব্যক্তির হাত থেকে বন্দুকটি উদ্ধার হয়েছে।
পুলিশ জেসন ক্যাচুয়েলার পাঁচটি নিবন্ধিত আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে।
ক্যাচুয়েলার মা লুসিতা আনি-নিহোয়া হাওয়াই নিউজ নাওকে বলেছেন, তার নাতির সামনে দুঃখজনকভাবে সবকিছু ঘটেছে। সে মানসিক আঘাত পেয়েছে। সে শুধু প্রার্থনা করেছে। সে বিশ্বাস করে না যে তার মা চলে গেছে। আমিও এটা বিশ্বাস করি না।
টিআরওয়ের আবেদন অনুসারে, জেসন ক্যাচুয়েলা তার সামনে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন।
হাওয়াই ট্রিবিউন অনুসারে তিনি লিখেছিলেন, তার ঘাড়ে একটি ছুরি ধরে আমাকে আঘাত করে এবং আমাকে ভয় দেখায়। পরের দিন সকালে সে আমার বাড়িতে ক্ষমা চাওয়ার জন্য দেখা করে। আমি তাকে সাহায্য করি এবং তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করি কিন্তু সে আবার আত্মহত্যার হুমকি দিতে থাকে।
তিনি আরও বলেন, সে সাহায্য পাওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করছিল, কিন্তু বিচার ব্যবস্থা তাকে ব্যর্থ করেছে।







