আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের চিত্র উঠে এসেছে।
আজ রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে প্রকাশিত ‘অঙ্গীকার থেকে অনুশীলন: রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি এবং গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা বাংলাদেশের নির্বাচন ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ৫০৫ জন সংখ্যালঘু ভোটারের ওপর জরিপ চালানো হয়।
সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ২৩ দশমিক ৪ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটার নিজেদের সম্পূর্ণ নিরাপদ মনে করছেন। বিপরীতে ৫০ দশমিক ৭ শতাংশ উদ্বিগ্ন এবং ২৫ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটগ্রহণকে অনিরাপদ বা অত্যন্ত অনিরাপদ বলে মনে করছেন।
জরিপে দেখা যায়, নির্বাচনে অনিয়ম হলেও অভিযোগ জানাতে অনাগ্রহী ভোটারদের সংখ্যা বেশি। নিরাপত্তাহীনতা, ভবিষ্যৎ ক্ষতির আশঙ্কা ও আইনি ব্যবস্থার ওপর আস্থার অভাবই অভিযোগ না করার প্রধান কারণ। গবেষণাটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ও আস্থার ঘাটতির বিষয়টি স্পষ্ট করে তুলে ধরেছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, ড. সেলিম জাহান এবং সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। এছাড়াও অনুষ্ঠানে রাজনীতিক, শিক্ষক, অর্থনীতিবিদ, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম প্রতিনিধি এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ফলাফল উপস্থাপন করেন সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমান।







