বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চীন সফর ইতিবাচক হয়েছে। তবে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, বিএনপির জনপ্রিয়তা কমাতে পারলে গণতন্ত্রের বিপক্ষের শক্তির ফায়দা নিতে সুবিধা হবে। গণতন্ত্রের শত্রুকে পাশের দেশে রেখে নির্বাচনে দেরি করা ঠিক হবে না।
রোববার (৩০ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারতন্ত্র হলে অসুবিধানেই, কিন্তু বাংলাদেশেই সমস্যা। সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ না দেয়াই রাজনৈতিক অনঅভিজ্ঞতার কারণ। লিবারেল পার্টিগুলোকে সুযোগ না দেয়া হলে জঙ্গিবাদের উত্থান হবে।
তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ রাজনীতি করবে কি করবেনা, সেই সিদ্ধান্ত নেবে জনগণ তবে গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচার করতে হবে। নির্বাচনের কৌশল নির্ধারন হলেই তারেক রহমান কবে ফিরবেন তা বলা যাবে।
নির্বাচন নিয়ে গড়িমসি করলে আবারও রাজপথে নামতে হতে পারে, বলেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষতা হারালে আমরা তা মানবো না।
তিনি আরও বলেন, বিএনপিকে ভারতপন্থী হিসেবে চিহ্নিত করা একটি রাজনৈতিক হীন উদ্দশ্য। এগুলা যারা করছেন তারা বাংলাদেশের বিরোধীদের স্বার্থ হাসিল করছেন। আমরা অন্য কোনো দেশের স্বার্থ নয়, নিজের দেশের স্বার্থ দেখবো।
বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, ৮ বছর পর পরিবারের সঙ্গে ঈদ করছেন বেগম খালেদা জিয়া। খুব সম্ভবত এপ্রিলের মাঝামাঝি দেশে ফিরবেন তিনি।







