টেস্ট ম্যাচ শুরুর আগে আলোচনায় থাকে উইকেট। পাঁচ দিনের ম্যাচে উইকেটের ধরণ বুঝতে পারা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মিরপুর টেস্ট শুরুর আগে মেহেদী হাসান মিরাজ জানিয়েছিলেন উইকেট দেখে মনে হয়েছে, সবার (পেসার, স্পিনার, ব্যাটার) জন্য সব কিছু করার সুযোগ থাকবে। যদিও শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে প্রথম দিনের খেলা শেষে বোলিং সহায়কই মনে হয়েছে উইকেট।
আয়ারল্যান্ডকে ২১৪ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ ২ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ৩৪ রান। দুই দল ৮৭.২ ওভার ব্যাট করেছে, উইকেট পড়েছে ১২টি।
টেস্টের নবীন দেশ ও তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে স্পোর্টিং উইকেটে খেলার চ্যালেঞ্জ নেয়া দলীয় পরিকল্পনারই অংশ। ৫ উইকেট শিকার করা তাইজুল ইসলাম জানালেন উইকেট সম্পর্কে তার ভাবনার কথা।
‘আসলে উইকেট কী ডিমান্ড করছে সেটি বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। আমার কাছে মনে হয় উইকেটে ঘাস ছিল। যার জন্য তিনটা পেসার খেলানো। সাথে সাথে অপশন ছিল, তিনজন স্পিনারও ছিল। টিম কম্বিনেশনটা ওইভাবেই ছিল, উইকেটের আচরণ যেমন হবে ওইভাবে আক্রমণ করার পরিকল্পনা ছিল।
‘আপনি হয়তো খেয়াল করবেন যে, উইকেটটা এমন আপনি চাইলেও হয়তো বড় শট করতে পারবেন না। হয়তো থাকতে পারবেন, কিন্তু বড় শট করতে গেলেই একটা কিছু হয়ে যাবে। তো হয়তো ভালো লাইন বা লেন্থে যদি বল করা যায়, স্পিনার হোক বা পেসার হোক, উইকেটটা অমনই যে, লাইন লেন্থে বল করলে দুইজনই সুবিধা পাবে।’
দিনের শেষ ওভারে তামিম ইকবাল আউট হন। নইলে বলা যেতো বাংলাদেশ এগিয়ে। ম্যাচের ভারসাম্য নিয়ে তাইজুল বলেন, ‘এমন সময় উইকেটটা পড়ছে যে, আমরা একটু ব্যাকফুটে..। ব্যাকফুটে বলব না ঠিক, হতে পারে। কিন্তু এখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানো গুরুত্বপূণূ আরকি। আপনি যদি ওদেরকে একটা বড় স্কোর দিতে চান, এখন একটা বড় পার্টনারশিপ লাগবে।’
নিজের ৫ উইকেট প্রাপ্তি নিয়ে তাইজুল বলেন, ‘অবশ্যই এটা ভালো লাগার বিষয় প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট। আর উইকেটের যেমন অবস্থা এই রকম উইকেটে পাঁচ উইকেট পাওয়াটা কঠিন হয়। তো আলহামদুল্লিলাহ যে, পাঁচ উইকেট পেয়েছি।’
এই ধরণের উইকেটে নিয়মিত খেললে বিদেশ সফরে সহায়ক হবে বলে জানান তাইজুল। স্পিনাররা ৭ উইকেট দখল করলেও শুরুর দুই উইকেট তুলে নেন পেসার শরিফুল ইসলাম ও ইবাদত হোসেন।







