নরসিংদী কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া জঙ্গি নুরুল আলম নরসিংদী আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
সোমবার (২৯ জুলাই) বিকেল ৩টায় নরসিংদীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থিত হয়ে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন নরসিংদীর আদালত পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুজ্জামান।
জঙ্গী নুরুল আলম আনসার উল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য এবং পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার ইউসুফ হাওলাদারের ছেলে।
গত ১৯ জুলাই শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে নরসিংদী কারাগারে আন্দোলনকারীরা ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও কারারক্ষীদের অস্ত্র ও গুলি লুট করে নেয়। এসময় কারারক্ষীদের কাছ থেকে চাবি ছিনিয়ে নিয়ে ভেতরে ঢুকে বন্দীদের অনেকগুলো কক্ষের তালা খুলে দেওয়া হয়। চারপাশ ধোঁয়ায় ছেয়ে গেলে বন্দী ৮২৬ জনই কারাগার থেকে পালিয়ে যান।
ওই দিন পালিয়ে যাওয়া ৮২৬ জন বন্দীর মধ্যে ৯ জন জঙ্গী ছিলেন। তাদের মধ্যে সিটিটিসির হাতে খাদিজা পারভীন ওরফে মেঘলা ও ইসরাত জাহান ওরফে মৌ ওরফে মৌসুমী, র্যাবের হাতে ফারুক আহম্মেদ এবং নরসিংদী জেলা পুলিশের হাতে জুয়েল ভূঁইয়া গ্রেপ্তার হয়েছেন। এখনও পলাতক চার জঙ্গী হলেন, হিজবুল্লাহ মিয়া, আবদুল্লাহ কামরুল, মো. মহিউদ্দীন ও আবদুল আলীম। এই চারজনও আনসার উল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কারাগার পালানো জঙ্গী নুরুল আলম নরসিংদী আদালতে আত্মসমর্পণের জন্য আসেন। আইনজীবীর মাধ্যমে তিনি আবেদন করলে তাকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে তোলা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
নরসিংদীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এ নিয়ে কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া ৯ জঙ্গীর মধ্য পাঁচজন আইনের আওতায় এসেছেন। বাকি চারজন জঙ্গীকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।








