একক প্রচেষ্টার দারুণ গোলে শুরুতেই লিড এনে দেন লিওনেল মেসি। পরে করেন আরও এক গোল। সতীর্থকে দিয়েও করান গোল। যে অ্যাসিস্টে কিংবদন্তি ছুঁয়েছেন নতুন এক মাইলফলক। এমনদিনে মেজর লিগ সকারে প্লে-অফে ইন্টার মিয়ামিকে জিতিয়ে সেমিফাইনালে তুলেছেন মেসি।
চেজ স্টেডিয়ামে রোববার সকালে ন্যাশভিলের সঙ্গে ৪-০তে জিতেছে ইন্টার মিয়ামি। এদিন দুই গোল ও এক অ্যাসিস্টে সবশেষ ৭ ম্যাচে ১৭ গোলে সরাসরি অবদান রাখলেন মেসির। আরেক আর্জেন্টাইন তাদেও আলেন্দেও পেয়েছেন জোড়া গোল। তিন ম্যাচ সিরিজের প্লে-অফে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে শেষ চারে উঠল মিয়ামি।
ম্যাচে ৫১ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখে গোলের জন্য মিয়ামির নেয়া ৭ শটের লক্ষ্যে ছিল ৫টি। বিপরীতে ন্যাশভিল ১২ শট নিলেও লক্ষ্যে ছিল কেবল ৪টি।
ম্যাচের ১০ মিনিটে এগিয়ে যায় মিয়ামি। প্রায় মাঝমাঠে ন্যাশভিলের কোরকোরানের ভুল পাস থেকে বল পেয়ে যান মেসি। বল টেনে নিয়ে বক্সে ঢোকার আগমুহূর্তে মেসি চার ডিফেন্ডারের জটলার ভেতর থেকে শট নেন, বল জড়ান জালে।
৩৯ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটি করেন মেসি। দারুণ এক গোলে দলকে এগিয়ে নেন ২-০তে। দ্বিতীয়ার্ধে মিয়ামির দুই গোল করেছেন আলেন্দে। ৭৩ মিনিটে আলবা-মেসির সঙ্গে বল দেয়া-নেয়া করে টাচলাইনের কাছাকাছি চলে যান। এরপর ব্যাক পাসে আলবা বল জালের মুখে পাঠালে সহজেই গোল করেন আলেন্দে।
তৃতীয় গোলের মিনিট দুয়েক পর আলেন্দে পান মেসির সহায়তা। আর্জেন্টাইন অধিনায়কের বাড়ানো বল পেয়ে প্রতিপক্ষ গোলকিপারের মাথার উপর দিয়ে জালে পাঠান আলেন্দে। এটি মেসির ক্যারিয়ারের ৪০০তম অ্যাসিস্ট। পেশাদার ফুটবলে যা প্রথম। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৬৯টি গোল সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন বার্সেলোনায় থাকা অবস্থায়। পিএসজিতে ৩৪ ও ইন্টার মিয়ামি এসে অ্যাসিস্ট করলেন আরও ৩৭টি। জাতীয় দল জার্সিতে মেসির আছে ৬০টি অ্যাসিস্ট।








