বেইজিং অলিম্পিকে ২০০৮ সালে আর্জেন্টিনার হয়ে স্বর্ণপদক জিতেছিলেন লিওনেল মেসি। ক্যারিয়ারে অর্জনের খাতায় এপর্যন্ত তার যুক্ত হয়েছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, লিগ শিরোপা, বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা এবং অনেকগুলো ফিফা বর্ষসেরা ও ব্যালন ডি’অর ট্রফি। দুয়ারে কড়া নাড়ছে প্যারিস অলিম্পিক। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া ইভেন্টে অবশ্য মহাতারকা অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।
আগামী ২০ জুন শুরু হবে লাতিন আমেরিকার ফুটবলের বড় প্রতিযোগিতা কোপা আমেরিকার নতুন আসর। পর্দা নামবে ১৪ জুলাই। পরে প্যারিসে ২৬ জুলাই শুরু হবে অলিম্পিক। কোপা আমেরিকা ও অলিম্পিকের মাঝে বিরতি খুব বেশি না থাকায় শারীরিক চাপ নিতে চাননি মেসি।
অলিম্পিকে ফুটবল ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর অনূর্ধ্ব-২৩ দল খেলে থাকে। প্রতিটি দল তিনজন সিনিয়র খেলোয়াড় স্কোয়াডে রাখার অনুমতি পায়। সে নিয়মে খেলতে পারেন মেসি, এমন আলোচনা ছিল। ইন্টার মিয়ামি তারকা বুধবার এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তার পক্ষে অলিম্পিকে খেলা সম্ভব নয়।
‘আমি কোচ মাশ্চেরানোর সাথে কথা বলেছি। বাস্তবতা হল, আমরা দুজনেই পরিস্থিতি বুঝতে পেরেছি। এখন অলিম্পিকের কথা ভাবা কঠিন। কারণ আমরা কোপা আমেরিকায় আছি। দুই আসরে খেললে টানা দুই-তিন ক্লাবের সাথে থাকা হবে না। তার চেয়েও বড় কথা, আমি এমন বয়সে নেই যে সবকিছুতে অংশ নিতে পারবো।’
‘কোথায় খেলবো সেটা আমাকে সাবধানে বাছাই করতে হবে। সরাসরি দুটি টুর্নামেন্ট খেলা খুব বেশি কঠিন হবে। আমি অলিম্পিকে খেলতে পেরে খুব ভাগ্যবান ছিলাম। ম্যাশের (মাশ্চেরানো) সাথে অলিম্পিক জিতেছি। এটি দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা ছিল। অলিম্পিক স্মৃতি কখনোই ভুলব না। আশা করি, ছেলেরা অলিম্পিক একইভাবে উপভোগ করবে। কারণ এটা বিশেষ কিছু। অলিম্পিক অন্য যেকোনো কিছুর থেকে আলাদা।’
মেসি কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টিনার সাথে থাকাকালীন ইন্টার মিয়ামির হয়ে কমপক্ষে পাঁচটি ম্যাচ মিস করতে পারেন। চলতি মৌসুমে দলের হয়ে মূল ভূমিকা পালন করেছেন এলএম টেন। ১২ ম্যাচে ১১টি গোলের পাশাপাশি ১২টি অ্যাসিস্ট করেছেন।








