২০০৯ সালের ২৫ জুন মাত্র ৫০ বছর বয়সে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন তিনি। তার মৃত্যুতে স্তব্ধ হয়ে যায় গোটা বিশ্ব। মৃত্যুর ১৭ বছর পরেও তার জনপ্রিয়তা একটুও কমেনি।
বলছি কিংবদন্তী পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের কথা। কিংবদন্তীর মৃত্যুদিবসের এই দিনে ভক্তরা শ্রদ্ধার সঙ্গে তাকে এখনো স্মরণ করে থাকেন।
জানা গেছে, চলতি বছরে তার প্রায় ৫০ লাখ অ্যালবাম বিক্রি হতে যাচ্ছে। যা সংগীত ইতিহাসের বিরল রেকর্ড। রেকর্ড ট্র্যাকিং প্রতিষ্ঠান ‘লুমিনেট’-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে বিশ্বব্যাপী মাইকেল জ্যাকসনের ২৫ লাখ অ্যালবাম বিক্রি হয়েছে! এর মধ্যে ৫ লাখের বেশি বিক্রি হয়েছে সিডি, এলপি ও ডিজিটাল ডাউনলোডের মাধ্যমে।
বাকিগুলো এসেছে বিভিন্ন মিউজিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম থেকে। অথচ গত বছর মোট ১৭ লাখ অ্যালবাম বিক্রি হয়েছিল। অর্থাৎ, চলতি বছরের অর্ধেক সময়ে তিনি গত বছরের রেকর্ড ভেঙে ফেলেছেন।
তবে মাইকেল জ্যাকসনের তুমুল জনপ্রিয়তার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া তার বায়োপিক ‘মাইকেল’। সিনেমাটি নিয়ে নানা সমালোচনা থাকলেও বক্স অফিসে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছে। বিশ্বব্যাপী ইতিমধ্যে সিনেমাটি প্রায় ৯৪ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ১১ হাজার ৯২ কোটি টাকা) ব্যবসা করেছে।
চলচ্চিত্র সমালোচকদের কাছে সিনেমাটি খুব একটা প্রশংসা পায়নি। রিভিউ ওয়েবসাইট ‘রটেন টম্যাটোস’-এ এর রেটিং মাত্র ৩৭ শতাংশ। সমালোচকদের মতে, এটিকে পুরোপুরি জীবনীনির্ভর সিনেমা না। কারণ, সিনেমাতে অনেক সত্য ঘটনা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।
১৯৫৮ সালের ২৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া মাইকেল জ্যাকসন খুব অল্প বয়সেই সংগীতজগতে যাত্রা শুরু করেন। ১৯৬৪ সালে ভাইদের সঙ্গে ‘জ্যাকসন ফাইভ’ ব্যান্ডের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে তার পথচলা শুরু হয়। পরে একক শিল্পী হিসেবে তিনি বিশ্বসংগীতের অন্যতম উজ্জ্বল তারকায় পরিণত হন।
১৯৭১ সালে একক ক্যারিয়ার শুরু করার পর আশির দশকে বিশ্বসংগীতে একচ্ছত্র আধিপত্য গড়ে তোলেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় তাঁর নামের সঙ্গে স্থায়ীভাবে যুক্ত হয় ‘পপসম্রাট’ উপাধি।







