লর্ডসে অ্যাশেজের দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে বড় বিপদের শঙ্কা নিয়ে ব্যাট করছিল ইংল্যান্ড। চতুর্থ দিনে লক্ষ্য তাড়ায় নেমে টপঅর্ডারের চার ব্যাটারকে হারিয়ে বসে দ্রুত। চতুর্থ দিনের খেলা প্রায় শেষের দিকে ছিল, তৃতীয় সেশনের ২৯তম ওভারের খেলা চলছিল। ক্যামেরন গ্রিনের একটি বাউন্সার ওপেনার বেন ডাকেটের ব্যাটের উপরের দিকে লেগে ফাইন লেগে বাউন্ডারির কাছে চলে যায়, ক্যাচ নেন মিচেল স্টার্ক।
সেটি আউট দেননি টিভি আম্পায়ার এরাসমাস। ডাকেট ক্রিজে থেকে যাওয়ায় লর্ডসের গ্যালারিতে স্বাগতিক দর্শকরা আনন্দে ফেটে পড়লেও অজি ফিল্ডাররা ছিলেন নাখোশ। দিনের খেলা শেষে তাদের দুই ফিল্ডারকে আম্পায়ারদের ঘিরে ফেলে কথা বলতে দেখা যায়। শুরু হয় অ্যাশেজের চিরাচরিত বিতর্ক, পরে এমসিসি ব্যাখ্যা দিয়েছে। কিন্তু খেপে আছেন অজিদের সাবেক ম্যাকগ্রা-গিলক্রিস্ট।
এ ঘটনায় ক্রিকেটের নিয়ম-কানুন প্রণয়নকারী মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব এমসিসি ব্যাখ্যা দিয়েছে। তারা বলছে, ক্যাচ নেয়ার সময় স্টার্কের গতিবিধির উপর যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণ ছিল না।
টুইটার পোস্টে এমসিসি বলেছে, ‘৩৩.৩ ধারা অনুযায়ী একটি ক্যাচ তখনই সম্পূর্ণ হবে, যখন ফিল্ডারের গতিবিধি ও নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণ নিজের উপর থাকবে। তার আগে বল মাঠে স্পর্শ করা যাবে না। এ ঘটনায় স্টার্ক মাঠে স্লাইড করেছিলেন, বল মাটিতেও লাগে এবং তার শরীরের কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না।’
অন্যদিকে আউট না দেয়ার ঘটনাকে ‘হাস্যকর’ বলছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার গ্লেন ম্যাকগ্রা, ‘আমি দুঃখিত, এটা আমার দেখা সবচেয়ে বাজে ঘটনা। সে নিয়ন্ত্রণে ছিল, বল নিয়ন্ত্রণে ছিল। এটা অসম্মান, আমি দুঃখিত, এটি অপমানজনক। আমি সবকিছু দেখেছি। বিশ্বাস করতে পারছি না। এটা হাস্যকর।’
ইংল্যান্ডের ব্যাটিং কোচ মার্কাস ট্রেসকোথিক স্বীকার করছেন নিয়ম-কানুন নিয়ে খেলোয়াড়-সমর্থকদের মধ্যে বিভ্রান্তি থাকতে পারে, ‘আমার কাছে দূর থেকে প্রথম দেখায় মনে হয়েছিল এটি ঠিক আছে। তারপর অবশ্যই বল মাটির সাথে লেগেছিল। কিন্তু এ মুহূর্তে আমার মনে হচ্ছে না আমরা নিয়ম বুঝি। এটা ঠিক নাকি ভুল তা বলার জন্য আমার মনে হচ্ছে না আমি নিয়ম বুঝতে পারি।’







