অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে টাইব্রেকারে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচে অশালীন আচরণের অভিযোগে উয়েফা তদন্ত শুরু করার পর রিয়ালের চার খেলোয়াড়ের নাম উঠে এসেছিল। আপাতত বেচে গেছেন কাইলিয়ান এমবাপে ও অ্যান্টোনিও রুডিগার। খেলতে পারবেন আর্সেনালের বিপক্ষে।
এমবাপে ও ভিনিসিয়াসের পাশাপাশি অভিযুক্তের তালিকায় ছিলেন অ্যান্টোনিও রুডিগার ও দানি সেবালসো। গত ১২ মার্চ শেষ ষোলোর লড়াইয়ে অ্যাটলেটিকো ম্যাচে অভিযোগ রয়েছে কোমর ধরে উদযাপন করেছেন তারা। তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্তে উয়েফা একজন আইন ও শৃঙ্খলা পরিদর্শক নিয়োগ করেছিল।
শুক্রবার উয়েফার নীতি এবং শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রক এমবাপে এবং রুডিগারের বিপক্ষে ‘শালীন আচরণের মৌলিক নিয়ম লঙ্ঘনের’ প্রমাণ পেয়েছেন। উভয় খেলোয়াড়কে একবছরের প্রবেশনারি সময়ের জন্য এক ম্যাচের স্থগিত নিষেধাজ্ঞার শাস্তি দিয়েছেন।
উয়েফা বলেছে, ‘ভিনিসিয়াসের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।’ অ্যাটলেটিকো সমর্থকদের উদ্দেশ্যে গলা টিপে ধরার ইশারা করে সবচেয়ে বেশি ৪০ হাজার ইউরো জরিমাানা দিতে হবে রুডিগারকে। এমবাপেকে গুণতে হবে ৩০ হাজার ইউরো জরিমানা।
স্টেডিয়ামে সমর্থকদের উত্তেজিত করার পর শালীন আচরণের মৌলিক নিয়ম লঙ্ঘন করায় দানি সেবালসোকে ২০ হাজার ইউরো জরিমানা গুণতে হবে। জরিমানা হলেও চার খেলোয়াড়কেই পরের ম্যাচে পাবে রিয়াল মাদ্রিদ।
একই অপরাধে গতবছর জুড বেলিংহামকে ৩০ হাজার ইউরো জরিমানা করা হয়েছিল এবং কোমর ধরে থাকার অঙ্গভঙ্গিতে এক ম্যাচের জন্য স্থগিত নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছিল। স্লোভাকিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ২-১ গোলে জয়ে সমতাসূচক গোলের পর এই মিডফিল্ডার কোমর ধরে উদযাপন করেছিলেন।
২০১৯ সালে, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জুভেন্টাসের বিপক্ষে একই রকম উদযাপনের জন্য অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বস ডিয়েগো সিমিওনেকে ২০ হাজার ইউরো জরিমানা করা হয়েছিল।








