এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে কিরগিজস্তানের ক্লাব এফসি মুরাস ইউনাইটেডের কাছে হেরে আসর থেকে বিদায় নিতে হয়েছে আবাহনী লিমিটেড ঢাকাকে। আতাই জুমাশেভের দুই গোল দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। প্রথমার্ধে সমানে সমান লড়লেও দ্বিতীয় ভাগে টিকতে পারেনি আবাহনী। দলের এমন পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট নন কোচ মারুফুল হক।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মারুফুল বললেন, ‘ছেলেদের খেলায় সন্তুষ্ট না। আমাদের পরিকল্পনা ছিল ওদের পরিকল্পনা নষ্ট করে আক্রমণে যাব। প্রথমার্ধে পুরোটাই আমরা ওদের খেলাটা নষ্ট করতে পেরেছি। একটা জিনিস হল, ওরা আমাদের মান জানে। তারা তো অলআউট খেলবেই।’
‘মুরাস পজিশনিং করবে, উইন প্লে করতে চাইবে। এগুলো বন্ধ করে যে সুযোগ পাবো, কাউন্টার অ্যাটাকে সেগুলো কাজে লাগাতে হবে। আমরা কাউন্টার অ্যাটাকে তিন-চারটা সুযোগ পেয়েছিলাম। একটা জিনিস দেখবেন সাধারণত ওরা লিগে খেলে ৪-৩-৩ বা ৪-৩-২-১। খুব কম ম্যাচেই ওরা পাঁচজন ব্যাকে রাখে। আজকে কিন্তু ওরা প্লেয়ার সেভাবে সাজিয়েছিল। ৪-৩-৩ শুরু করেছিল। যখন আমরা দুইটা উইং প্লে ছিল, তখন কিন্তু ওরা চারজন ব্যাক করেছে।’
নিজেদের সীমাবদ্ধতা নিয়ে মারুফুল বললেন, ‘আপনার অলআউট খেলার জন্য সম্পদ থাকতে হবে। যথেষ্ট খেলোয়াড় না থাকলে কিছুই করতে পারবেন না। যদি মিডফিল্ডে একজন ডায়নামিক প্লেয়ার থাকতো, যে বলগুলো সবদিকে দিতো বা চতুর্দিকে খেলতে পারতো। আমার লোকাল মিডফিল্ডাররা সেভাবে পারে না। আর যদি একজন বিদেশি উইঙ্গার থাকতো তাহলে ইব্রাহিম যে ভুলগুলো করেছে সে ভুলগুলো হয়তো করতো না।’







