ইতালির জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে সৌদি আরবের জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব নিলেন রবার্তো মানচিনি। ৫৮ বর্ষী ইতালিয়ান কোচের সঙ্গে ২০২৭ সাল পর্যন্ত চুক্তি করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। সোমবার জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে মানচিনিকে বরণ করা হবে।
কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ইতিহাসের জন্ম দেয়া সৌদি অনেকদিন কোচহীন অবস্থায় ছিল। হার্ভে রেনার্ড ফ্রান্সের নারী ফুটবল দলের দায়িত্ব নিয়ে চলে যান। এরপর থেকে নতুন কোচ নিয়োগ দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে দেশটি।
চার বছরের চুক্তিতে প্রতি বছর আড়াই কোটি ইউরো পাবেন ইতালির হয়ে ইউরোজয়ী কোচ মানচিনি। নতুন দায়িত্বে এসে বলেছেন, ‘সৌদি আরবের জাতীয় দলের কোচ হওয়ার প্রস্তাব পেয়ে অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করেছি। বিশ্বাস করি, নতুন একটি দেশের হয়ে আমার অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর দারুণ সুযোগ এটি।’
‘বিশেষ করে এশিয়ার ফুটবলে সৌদি এখন দারুণ জনপ্রিয়তার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সৌদি আরবের ফুটবল সংস্কৃতি এবং সৌদি খেলোয়াড়দের মেধা সাফল্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এছাড়া সৌদি প্রো লিগে ইউরোপের তারকা খেলোয়াড়দের উপস্থিতি জাতীয় দলের উপর প্রভাব ফেলবে বলে আশা করি।’
‘কাতার বিশ্বকাপে সৌদি আরবের অসামান্য পারফরম্যান্স দেখেছে পুরোবিশ্ব। সেই জয় সমর্থকদেরও প্রভাবিত করেছে। বৈশ্বিক মঞ্চে তারা যে চিহ্ন রেখে গেছে, তাতে দলের গতি আরও বাড়বে বলে আশা করি। দলে প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে। এখন শুধু কঠোর পরিশ্রম দরকার।’
ইতালির কোচ হিসেবে ২০১৮ সালে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মানচিনি। ওই বছর রাশিয়া বিশ্বকাপে জায়গা পায়নি তার দল। তার অধীনে ২০২১ সালে ইউরো জিতলেও কাতার বিশ্বকাপে জায়গা করতে পারেনি চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলটি। মানচিনির অধীনে ইতালি ৩৭ ম্যাচে জয় পেয়েছে, ১৫ ম্যাচে ড্র করেছে এবং হেরেছে ৯টিতে।
সৌদি আরবের কোচ হিসেবে মানচিনির প্রথম মিশন হবে কোস্টারিকা। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর নিউক্যাসলের মাঠ সেইন্ট জেমস পার্কে কোস্টারিকার বিপক্ষে মাঠে নামবে দলটি। ১২ সেপ্টেম্বর আরেকটি প্রীতি ম্যাচে তারা মুখোমুখি হবে সাউথ কোরিয়ার।







