সবধরণের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ১১ ম্যাচ জয়, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে টানা ৮। অবশেষে জয়রথ থামল অ্যাস্টন ভিলার। আর্সেনালের বিপক্ষে ৪-১ গোলে হার দেখেছে ভিলা। জয়ে টেবিলের শীর্ষে থেকেই বছর শেষ করেছে আর্সেনাল। ভিন্ন দুটি ম্যাচে ড্র করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও চেলসি।
অ্যানফিল্ডে স্বাগতিকদের হয়ে গোল করেছেন গ্যাব্রিয়েল ম্যাগালহেস, মার্টিন জুবিমেন্ডি, লিয়ান্দ্রো ট্রুসার্ড ও গ্যাব্রিয়েল জেসুস। ভিলার একমাত্র গোলটি করেছেন ওলি ওয়াটকিনস।
৫ গোলের ম্যাচটিতে প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। বিরতি থেকে ফিরে ৪৮ মিনিটে গানারদের লিড এনে দেন ম্যাগালহেস। ৪ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জুবিমেন্ডি। ৬৯ মিনিটে তৃতীয় গোলটি করেন ট্রুসার্ড এবং ৭৮ মিনিটে সফরকারীদের জালে চতুর্থ গোলটি দেন জেসুস। এরপর যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে ওয়াটকিনস আর্সেনাল জালে বল পাঠিয়ে কেবল ব্যবধানটা কমান। বড় জয়ে মাঠ ছাড়ে আর্সেনাল।
আরেক ম্যাচে স্টামফোর্ড ব্রিজে ব্রোনমাউথের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করেছে চেলসি। ৬ মিনিটে এগিয়ে ব্রোনমাউথ। সফরকারীদের হয়ে গোল করেন ডেভিড ব্রুকস। ১৫ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোলকে স্বাগতিকদের সমতায় ফেরান কোল পালমার। ২৩ মিনিটে এনজো ফের্নান্দেজের গোলে লিড পায় চেলসি। তবে ২৭ মিনিটে জাস্টিন ক্লুভার্টের গোলে সমতায় ফেরে সফরকারীরা। পরে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে দুদল।
অন্যম্যাচে ওল্ড ট্রাফোর্ডে উলভারহ্যাম্পটনের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ২৭ মিনিটে জসুয়া জিকের্জির গোলে লিড পায় ইউনাইটেড। তবে বিরতির আগেই সমতায় ফেলে উলভস। লাভিস্লাভ ক্রেজচি গোল করেন ৪৫ মিনিটে। শেষ অবধি ড্র করে সন্তুষ্ট থাকতে হয় দল দুটিকে।
১৯ ম্যাচে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল। ১ ম্যাচ কম খেলে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে ম্যানচেস্টার সিটি। ১৯ ম্যাচে ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে তিনে অ্যাস্টন ভিলা এবং ১৮ ম্যাচে ৩২ পয়েন্ট নিয়ে চারে লিভারপুল। ১৯ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে পাঁচে চেলসি। সমান পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।








