ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলেছেন আর্লিং হালান্ডের বাবা আলফি হালান্ডও। ২০০০ থেকে ২০০৩ পর্যন্ত সিটিজেন ডেরায় খেলেছেন তিনি, ৩৫ ম্যাচে তিনবার জালের দেখা পেয়েছিলেন। গোলের হিসেবে সেই সংখ্যা শুরু ৩ ম্যাচেই ছুঁয়ে ফেলেছেন তার ছেলে হালান্ড। শুধু ছুঁলে তো হবে না, বাবাকে ছাড়িয়ে অনেকদূর যেতে চাওয়ার স্বপ্নও দেখেন ২২ বর্ষী তারকা।
ইংল্যান্ড, স্পেন হয়ে জার্মানি— নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারকে পেতে মুখিয়ে ছিল ইউরোপের জায়ান্ট ক্লাবগুলো। শেষ পর্যন্ত বরুশিয়া ডর্টমুন্ড তারকা প্রিমিয়ার লিগে এসে পরেছেন আকাশী-নীল জার্সি। সক্ষমতার প্রমাণও দিয়ে চলেছেন। ইতিমধ্যে পেয়ে গেছেন হ্যাটট্রিক। ৪ ম্যাচে করে ফেলেছেন ৬ গোল।
ইতিহাদ স্টেডিয়ামে শনিবার রাতে ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ের রাতে হ্যাটট্রিকের পাশাপাশি একটি রেকর্ড গড়েছেন হালান্ড। সিটিজেনদের হয়ে শুরুর ৪ ম্যাচে ৬ গোল করে বসেছেন আর্জেন্টাইন তারকা সার্জিও আগুয়েরোর পাশে। সিটির ঘরের মাঠে প্রথম গোল পাওয়ার উদযাপন ঠেকিয়েছেন হ্যাটট্রিকের আনন্দে।
প্যালেসের বিপক্ষে পিছিয়ে থেকেও এভাবে ফিরে আসাকে দুর্দান্ত মনে করছেন হালান্ড। ম্যাচ শেষে তার হাসিমুখে ঘুরে ফিরে এসেছে আত্মবিশ্বাসের কথা, ‘সত্যিই দুর্দান্ত লাগছে। এটি আমার পরিবার ও নিজের জন্য গর্বের মুহূর্ত। আমরা থামব না। ম্যাচে এমন কঠিন সব সময়ের মোড় ঘুরিয়ে দিতেই আমি এখানে।’
হালান্ডের বাবা আলফি সিটিজেনদের হয়ে খেলেছিলেন তিন বছর। লিডস ইউনাইটেড থেকে সিটিতে নাম লেখান তিনি। সেখানে প্রথম বছরে ৩৫ ম্যাচ খেললেও পরের দুই মৌসুম ডাগআউটে কাটাতে হয়। আকাশী-নীল জার্সিতে তিনটি গোল আছে নরওয়েজিয়ান সাবেক ডিফেন্ডারের।
বাবার কীর্তিকে ছাপিয়ে যেতে তিন ম্যাচের বেশি সময় নেননি ছেলে। তবুও বাবাকে একটু খোঁচাই যেন দিয়ে রাখলেন হালান্ড, ‘বাবা সম্ভবত বলবেন, প্রিমিয়ার লিগে তোমার চেয়েও আমার বেশি গোল ছিল। তাই আমি তাকে ছাড়িয়ে যাবো!’







