গোল পেলেও বড় হারে বাংলাদেশের এশিয়ান কাপ বাছাইপর্ব শেষ হলো। আধিপত্য, বল দখল ও গোল ব্যবধানে অনেক এগিয়ে থাকা ম্যাচটি ভিন্ন কারণে মনে রাখবে মালয়েশিয়া। লাল-সবুজ জার্সিধারীদের হতাশায় ডুবিয়ে চতুর্থবারের মতো এশিয়ান কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল কিম প্যান-গনের দল।
কুয়ালালামপুরের বুকিত জলিল স্টেডিয়ামে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচটি ৪-১ গোলে হেরেছে হাভিয়ের কাবরেরার দল। ২০২৩ এশিয়ান কাপ নিশ্চিতের ম্যাচে গোল পেয়েছেন সাফাওই রাসিদ (পেনাল্টি), ডিয়ন কুলস, শফিক আহমেদ ও ড্যারেন লক। বাংলাদেশের হয়ে একমাত্র গোলটি পেয়েছেন মোহাম্মদ ইব্রাহিম।
বল দখল, গোলে শট এবং আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করা স্বাগতিকরা শুরু থেকেই বাংলাদেশকে চাপে ফেলে। লাল-সবুজের রক্ষণভাগ সহজেই ভেদ করে আক্রমণে ওঠে দলটি। ম্যাচের ১০ মিনিটের মধ্যেই নিশ্চিত দুটি গোলের সুযোগ তৈরি করে। গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো একটি সেইভ করে অন্যটি ফিরে আসে ক্রসবারের বাঁধায়।
১৩ মিনিটে বাংলাদেশকে হতাশ করা পেনাল্টি বাঁশি বাজায় রেফারি। আতিকুর রহমান ফাহাদ বক্সের মধ্যে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে হলুদ কার্ড দেখে। পেনাল্টি থেকে সাফাই রসিদ জিকোকে অল্পের জন্য কাটিয়ে বল জড়ায় জালে। লিড নিয়ে উল্লাসে মাতে স্বাগতিক দল।
পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালায় বাংলাদেশ। ৩১ মিনিটে আসে সেই মোক্ষম সুযোগও। তুর্কেমিনিস্তানের বিপক্ষে হেডে গোল পাওয়ার পূনরাবৃত্তি ঘটায় রাকিব। আগের ম্যাচের মতো, বিশ্বনাথ ঘোষের লম্বা থ্রো রাকিবের ব্যাক হেড এবং ইব্রাহিমের হেডে বল জালে।
বেশি সময় সমতায় স্কোরলাইন রাখতে পারেনি জামাল-জিকোরা। সাত মিনিট পর ডিয়ন কুলস লিড এনে দেন। ডিলনের নেয়া দূর থেকে শট জিকোর হাতের নিচ দিয়ে যায়। পরে ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় দুদল।
দ্বিতীয়ার্ধে রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে নেমে আসে বাংলাদেশ। শুরুতেই স্কোরলাইন ৩-১ হওয়ায় চাপে পড়ে যায় হাভিয়ের কাবরেরার দল। ৪৭ মিনিটে শফিক গোল করার পর ৭৩ মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে নেন ড্যারেন লক। নিজেদের জয় নিশ্চিতের পর থেকে আনন্দে মাতে স্বাগতিক দলটি ও দেশটির সমর্থকরা।
আসরের বাছাইপর্বের তিনটি ম্যাচে হার দেখল বাংলাদেশ দল। মালয়েশিয়া থেকে কাবরেরার শিষ্যরা ফিরবেন কোনো পয়েন্ট ছাড়াই। স্বাগতিক মালয়েশিয়া রানার্স আপ হয়ে বাছাই পর্বে সেরা পাঁচ রানার্স আপের মধ্যে থেকে এশিয়ান কাপে নাম লিখিয়েছে। ৩ ম্যাচের তিনটিতে জিতে গ্রুপ সেরা হয়ে আছে বাহরাইন।








