বিনোদন

বিটিভি ভবনে যেমন ছিলো জিয়ার প্রথম দিন

বিটিভি ভবনে যেমন ছিলো জিয়ার প্রথম দিন

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মদিন সোমবার (১৯ জানুয়ারি)। ১৯৩৬ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। গণমাধ্যমকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেন জিয়া। তাঁর শাসনামলে বাংলাদেশ টেলিভিশন বিশেষ গুরুত্ব পায় এবং তা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তিনিই দেশে রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচারের ব্যবস্থা করেছিলেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনকে তিনি বড় বেশি ভালোবাসতেন। জীবদ্দশায় বেশ কয়েকবার রামপুরা টিভি ভবনে গিয়েছিলেন। প্রথমবার গিয়েছিলেন ১৯৭৬ সালের ৬ জানুয়ারি।

পত্রিকার প্রতিবেদন থেকে সেদিনটির কথা কিছুটা থাকলো এখানে।

রামপুরা টেলিভিশন কেন্দ্রে তথ্য ও বেতার দপ্ততরের পদস্থ কর্মকর্তাদের এক সমাবেশে ভাষণদানকালে চিফ অব আর্মি স্টাফ ও উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসক মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বলেন-“জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গী বিকাশে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুসংহত করার উদ্দেশ্যে আপনাদের উপযুক্ত ভূমিকা পালন করতে হবে।”

তিনি বলেন, দেশের মানুষকে জাতীয় অগ্রগতি, নিরক্ষরতা দূরীকরণ, জন্মনিয়ন্ত্রণ এবং গণশিক্ষা বিস্তার সম্পর্কে উদ্বুদ্ধ করার কাজে বেতার, সংবাদপত্র ও অন্যান্য গণমাধ্যমগুলো বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিষ্ঠা জাতীয় আশা আকাঙ্খা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।

স্বাধীনতা সংগ্রামে বাঙালি জাতির আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করে জেনারেল জিয়া বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের ত্যাগ স্বীকার নজিরবিহীন।

বিটিভি রঙিন সম্প্রচার যুগে প্রবেশের সময় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান | ছবি সংগ্রহ: খ ম হারূন

সংবাদপত্র শিল্পের উন্নতি বিধানের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, অচিরেই আরো সংবাদপত্র প্রকাশের অনুমতি প্রদান করা হবে এবং বেকার সাংবাদিকদের চাকুরি সমস্যার সমাধান করা হবে। সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে জাতীয় প্রেস ইন্সটিউট প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে জেনারেল জিয়া বলেন, এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সাংবাদিকদের কর্তব্য সম্পর্কে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা একমাত্র জাতি ও দেশের সেবা করেন, অন্য কারো নয়।

জেনারেল জিয়া বলেন, সকলের প্রতি আমার আহবান, আপনারা দেশের অগ্রগতি ও জাতীয় সংহতি ও একতাকে দৃঢ়তর করার জন্য কাজ করুন।

বিষয়:জিয়া জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ টেলিভিশন বিটিভি মেজর জিয়া সংবাদ

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…