শাকিব খানের নতুন চলচ্চিত্র নিয়ে বরাবরই দর্শকদের আগ্রহ থাকে। অতীতে এই আগ্রহ বাংলাদেশের মধ্যেই সীমিত থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ‘প্রিয়তমা’, ‘তুফান’ ও ‘বরবাদ’ ছবিগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তার কাজ নিয়ে আলোচনা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানে!
এসব আলোচনায় একটি উল্লেখযোগ্য অংশজুড়ে থাকে তার বিপরীতে অভিনয় করা অভিনেত্রীদের প্রসঙ্গ। সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাকিস্তানের হানিয়া আমির, দুর-ই-ফিশান এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মধুমিতা সরকারের নাম শাকিবের পরবর্তী ছবির সম্ভাব্য নায়িকা হিসেবে ঘুরে ফিরে আসছে। এসব গুঞ্জনের ভিত্তিতে অনেকেই ধরে নিচ্ছেন, মধুমিতা সরকার শাকিব খানের পরবর্তী কোনো চলচ্চিত্রে যুক্ত হচ্ছেন।
এমন ধারণার ভিত্তিতে অভিনেত্রী দীপা খন্দকার নিজের সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টও দিয়েছেন, যা পরবর্তীতে চলচ্চিত্র-সম্পর্কিত কিছু অনলাইন গ্রুপে আলোচনা ও সমালোচনার বিষয় হয়েছে।
তবে চ্যানেল আই অনলাইনের অনুসন্ধানে জানা গেছে, নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয় বা আবু হায়াত মাহমুদের পরিচালনায় শাকিব খানের আসন্ন কোনো প্রকল্পে মধুমিতা সরকার যুক্ত হচ্ছেন না। এমনকি এই নির্মাতাদের সঙ্গে ভারতীয় এই অভিনেত্রীর যোগাযোগও হয়নি বলে জানা গেছে। এর আগে নির্মাতা অনন্য মামুন ‘শের’ সিনেমায় মধুমিতাকে নেয়ার পরিকল্পনা করলেও, আনুষ্ঠানিক অনুমতির জটিলতার কারণে সেই আলোচনা এগোয়নি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, মধুমিতা সরকার বর্তমানে শাকিব খানের সঙ্গে কোনো প্রকল্পে কাজ করছেন না। তবে পাকিস্তান থেকে একজন অভিনেত্রীকে শাকিব খানের পরবর্তী ছবিতে নেয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে সূত্রটি জানিয়েছে। শাকিব খানও এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
সূত্রটি আরও জানায়, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক কিছুটা অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকলেও, পাকিস্তানের কিছু অভিনেত্রী টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে বাংলাদেশে পরিচিত হয়ে উঠেছেন। পাশাপাশি পাকিস্তানে ‘তুফান’ ছবির মুক্তির পর শাকিব খান সেখানেও কিছুটা পরিচিতি পেয়েছেন। এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে পাকিস্তানি অভিনেত্রীদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।







