তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ব্যবসায়ীরা ঘোষণা করেছেন, তারা দেশজুড়ে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রাখার যে কর্মসূচি দিয়েছিল, তা প্রত্যাহার করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর সঙ্গে বৈঠকের পর এলপিজি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি সেলিম খান এ তথ্য জানান।
এর আগে বুধবার (৭ জানুয়ারি) ব্যবসায়ীরা দেশে অভিযান ও জরিমানার প্রেক্ষাপটে আজ থেকে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে সব কোম্পানির প্ল্যান্ট থেকে এলপিজি উত্তোলনও বন্ধ থাকবে বলেও জানানো হয়েছিল।
বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীরা তাদের দাবি তুলে ধরেছিল। বলা হয়েছিল, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি মেনে না নিলে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ থাকবে। মূল দাবিগুলো ছিল: বিইআরসি নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য সমন্বয় করবে এবং পরিবেশকদের উপর প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও জরিমানা বন্ধ হবে।
প্রতি মাসে এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য সমন্বয় করে বিইআরসি। সর্বশেষ ৪ জানুয়ারি নতুন দাম ঘোষণা করা হয়েছিল। ব্যবসায়ীদের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছিল, এই সমন্বয় করার আগে কমিশন তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি।
এলপিজি সংকটের বিষয়ে মন্তব্য করে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, সরবরাহ স্বাভাবিক হলেও রাজধানী ও অন্যান্য এলাকায় পুরো সংকট মিটতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।







