চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ইউক্রেনের আরেক বড় শহর পতনের মুখে

রাশিয়ার হামলায় প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তুললেও গত শনিবার পূর্ব ইউক্রেনের সেভেরোদনেৎস্ক শহরের দখল হারিয়েছে কিয়েভ। দখল নিশ্চিত হওয়ার পর মস্কো মনোযোগ দিয়েছে লিসিচানস্কের দিকে।

সিভেরস্কি দোনেৎস নদীর তীরে অবস্থিত লিসিচানস্কে শহরে ধারাবাহিক রুশ কামান হামলায় মঙ্গলবার ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। পূর্বের লুহানস্ক প্রদেশে এটাই ইউক্রেনের দখলে থাকা সর্বশেষ বড় শহর।

Reneta June

বিশ্লেষকদের মতে, লিসিচানস্ক এখন ক্রেমলিনের মূল লক্ষ্য। এ শহর দখল নিতে পারলেই পুরো লুহানস্কের দখল চলে আসবে মস্কোর কাছে।

বিজ্ঞাপন

লুহানস্কের গভর্নর সের্হেই গাইদাই বলেন, রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সোমবার লিসিচানস্কে ৮ জন নিহত ও ২১ জন আহত হয়েছেন। শহরটির দখল এখনো ইউক্রেনের বাহিনীর হাতে, তবে খুব শিগগির এর পতন হতে পারে।

গাইদাই এর মতে, রুশ বাহিনী এ যুদ্ধে বিপুল পরিমাণ সম্পদ ঢালছে।

রয়টার্সের কাছে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, তারা (রাশিয়া) এ শহরের দখল নেওয়ার জন্য খুবই আগ্রহী এবং শুধুমাত্র এ কারণে তারা রিজার্ভ থেকেও অনেক সেনা ও সামরিক উপকরণ এখানে পাঠাচ্ছে। ‘আমরা শুধু একটি শহর রক্ষার জন্য পুরো সেনাবাহিনী হারাতে চাই না’, যোগ করেন তিনি।

লুহানস্ক গণপ্রজাতন্ত্রে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত রোদিয়ান মিরোশনিক জানান, রুশ সেনা এবং তাদের লুহানস্ক প্রজাতন্ত্রের মিত্ররা পশ্চিমের লিসিচানস্কের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। শহরের স্টেডিয়ামের আশেপাশের সড়কগুলোতে লড়াই চলছে।

এছাড়াও, শহরের চারপাশের বেশকিছু গ্রামেও যুদ্ধ চলছিল। রুশ ও মিত্রবাহিনী লিসিচানস্কের তেল পরিশোধনাগারে প্রবেশ করেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বার্তায় রাষ্ট্রদূত মিরোশনিক জানান, এই তেল পরিশোধনাগারেই ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা বাহিনী অবস্থান নিয়েছে।