কাইলিয়ান এমবাপের হাসিটা দৈর্ঘ্যে-প্রস্তে এমন চওড়া হওয়াই স্বাভাবিক। খেলায় তখনও ২-১ গোলে পিছিয়ে ইংল্যান্ড। ৮৪ মিনিটে থ্রি-লায়ন্সরা পায় সমতায় ফেরার সুযোগ। কিন্তু ইংলিশদের হতাশ করে পেনাল্টিতে ব্যর্থ হন হ্যারি কেন। প্রতিপক্ষ অধিনায়কের উড়িয়ে দেয়া সেই স্পট কিক দেখে হাসিতে ফেটে পড়েন ফরাসি স্ট্রাইকার।
এমবাপের বাঁধভাঙা হাসি শেষ পর্যন্ত গড়িয়েছে ফরাসি দলেও। ২-১ গোলের রোমাঞ্চকর জয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা। রোববার ম্যাচের ১৭ মিনিটে অরিলিয়ে শুয়ামেনি এগিয়ে দেয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্সের লিড বাড়িয়ে দেন জিরুদ। দ্বিতীয়ার্ধে ইংল্যান্ডকে সমতায় ফেরানোর পর আরেক পেনাল্টিতে ভিলেন বনেছেন ইংলিশ অধিনায়ক কেন।
আল বাইত স্টেডিয়ামে ৭৮ মিনিটে ফ্রান্সকে জিরুদ এগিয়ে দিলেও ইংলিশরা ছিল দাপুটে। সমতায় ফেরানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও যখন জালের দেখা পাচ্ছিলেন না কেন, তখন সাউথগেটের শিষ্যদের পক্ষে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।
ম্যাচের ৮২ মিনিটে মাউন্টকে ফাউল করে বসেন থিও। রেফারি পেনাল্টি না দিলে জোরাল আবেদন করেন ইংলিশরা। ভিএআরের সাহায্যে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত আসলেও শেষঅবধি সেটি কাল হয়ে দাঁড়ায় ইংল্যান্ডের। কেন হতাশায় ডোবান।
কেনের শট গোলপোস্টের অনেকদূর দিয়ে যখন উড়ে যাচ্ছিল, তখন ক্যামেরায় ধরা পড়ে এমবাপের মুখ। তার যেন খুশি আর ধরছিল না। শিশুসুলভ অট্টহাসিতে ফেটে পড়া ফ্রেঞ্চম্যানের সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে। ১৪ ডিসেম্বর মরক্কোর বিপক্ষে ফাইনালের টিকিট জোগাড়ে নামবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।







