দেশের পথে কিংবদন্তী সংগীতশিল্পী, গীতিকার, বেজ গিটারিস্ট শাফিন আহমেদের মরদেহ৷ জানা গেলো, দেশে তার জানাজা, দাফন বিষয়ে পারিবারিক সিদ্ধান্ত।
শনিবার রাতে মাইলস এর অফিশিয়াল পেজে শাফিন আহমেদের জানাজা ও দাফন সম্পর্কে পারিবারিক সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
পারিবারিক ওই বিবৃতিতে বলা হয়, শাফিনের নামাজে জানাজা আগামী ৩০ জুলাই (মঙ্গলবার) বাদ যোহর গুলশান আজাদ মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে এবং তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।
তবে শাফিনের মরদেহ কবে দেশে আসছে, কিংবা সর্বসাধারণের শেষবার শ্রদ্ধা জানাতে মরদেহ কোথাও রাখা হবে কিনা এ বিষয়ে বিবৃতিতে কিছু উল্লেখ করেনি পরিবার।
এরআগে শনিবার বাংলাদেশ সময় শনিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রে শাফিন আহমেদের প্রথম নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। ভার্জিনিয়ার মেনাসাসে দ্বার আল নূর ইসলামিক কমিউনিটি সেন্টারে তার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।
জানাজায় অংশ নেন শাফিন আহমেদের অসংখ্য ভক্ত অনুরাগীসহ বাংলাদেশি কমিউনিটির মানুষ। অশ্রুসজল চোখে প্রিয় শিল্পীকে বিদায় জানান সাধারণ ভক্ত অনুরাগীরা।
জানাজা শেষে শাফিনের কনসার্ট-এর আয়োজকরা জানিয়েছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে এই শিল্পীর মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন তারা।
এরপর এদিন রাতেই পারিবারিক বিবৃতি আসে মাইলসের পেজে। জানানো হয়, গত ২৫ জুলাই বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টা ৯ মিনিটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার একটি স্থানীয় হাসপাতালে ৬৩ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শাফিন আহমেদ। তার আকস্মিক মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তিনি ছিলেন স্বনামধন্য বাংলাদেশী রক ব্যান্ড মাইলসের সাবেক প্রধান কণ্ঠশিল্পী।
শাফিন ছিলেন উপমহাদেশের কিংবদন্তী নজরুল সংগীতশিল্পী ফিরোজা বেগম এবং প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক কমল দাশ গুপ্তের কনিষ্ঠ পুত্র।
ফিরিয়ে দাও, ধিকি ধিকি, চাঁদ তারা সূর্য, কি জাদু, আজ জন্মদিন তোমার, এবং আরো অনেক তুমুল জনপ্রিয় গানের মাধ্যমে শাফিন আহমেদ বাংলা গানের জগতে অন্যতম জনপ্রিয় এবং আইকনিক গায়ক হিসাবে তাঁর স্বকীয় পরিচয় সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এছাড়াও তিনি বেশ কয়েকটি একক অ্যালবাম প্রকাশ করেন, যা ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
তিনি তাঁর দুই বড় ভাই তাহসিন আহমেদ এবং হামিন আহমেদকে রেখে গেছেন; সেই সঙ্গে রেখে গেছেন স্ত্রী, তিন পুত্র মাইসিম, আজরাফ এবং রেহান; একমাত্র কন্যা রানিয়া; তাঁর পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং লক্ষ লক্ষ ভক্ত ও অনুরাগীকে।








