ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত হয়ে ৮ বছরের কারাদণ্ড শাস্তি পেয়েছিলেন নেপালের সাবেক অধিনায়ক সন্দীপ লামিচানে। রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করে খালাস পেয়েছেন তারকা ক্রিকেটার।
বুধবার পাটান হাইকোর্টের বিচারপতি সূর্যদর্শন দেব ভট্ট এবং অঞ্জু উপ্রেতি ঢাকলের একটি ডিভিশন বেঞ্চ কাঠমান্ডু জেলা আদালতের ৮ বছরের কারাদণ্ডের রায় বাতিল করেছে। পাটান হাইকোর্টের মুখপাত্র তীর্থরাজ ভট্টরাই এ বিষয়ে বলেছেন, ‘প্রমাণের অভাবে জেলা আদালতের সিদ্ধান্ত বাতিল করেছেন বেঞ্চ।’
এর আগে জেলা আদালতের রায়ের পর নেপাল ক্রিকেট বোর্ড লামিচানেকে নিষিদ্ধ করেছিল। যদিও তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে এসেছেন লামিচানে। রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির ছিলেন তিনি। রায়ের পর আদালতের বাইরে তার সমর্থকদের উল্লাস করতে দেখা যায়।
আসন্ন টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য লামিচানেকে ছাড়াই দল ঘোষণা করেছে নেপাল। বোর্ড চাইলে অবশ্য ২৫মে পর্যন্ত আইসিসির অনুমোদন ছাড়াই তাকে দলে নিতে পারবে।
২০২২ সালে কাঠমান্ডুর একটি হোটেলে এক কিশোরীকে ধর্ষণে অভিযুক্ত হন লামিচানে। গত জানুয়ারিতে ধর্ষণের ওই মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে আট বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। রায়ের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানান ২৩ বর্ষী তারকা। পাশাপাশি আপিলের রায় আসার আগপর্যন্ত জেলের বাইরে থাকতে চান। আদালত তার আবেদন মেনে জেলের বাইরে থাকার অনুমতি দেন।
লামিচানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, ১৭ বর্ষী এক নাবালিকা ভক্তের সরলতার সুযোগ নিয়ে ধর্ষণ করেছেন। গত বছরের ৮ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। এ সময় নেপাল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (সিএএন) দ্বারা তৎকালীন অধিনায়ক লামিচানেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। সিপিএল খেলে ৬ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরলে কাঠমান্ডু থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি। তার আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।
লেগ স্পিনে ভেলকি দেখিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন লামিচানে। আইপিএল, সিপিএল হয়ে বিশ্বের বড় বড় টি-টুয়েন্টি টুর্নামেন্টে নিয়মিত হয়ে উঠেছেন। দেশের জার্সিতে ৫১ ওয়ানডেতে ১১২ ও ৫২ টি-টুয়েন্টিতে শিকার করেছেন ৯৮ উইকেট। নেপাল জার্সিতে ২০১৮ সালে ২৩ বর্ষী তারকার অভিষেক হয়।








