কুয়েতের ইসলামিক মন্ত্রণালয় ১৪৪৭ হিজরি হজ মৌসুমের জন্য নতুন নিবন্ধন প্রক্রিয়া ঘোষণা করেছে। স্বচ্ছতা এবং দেশের সব হজযাত্রীর জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে লটারি প্রক্রিয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (৫জুলাই) গালফ নিউজ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করে।
গত বুধবার কুয়েতের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, লটারি প্রক্রিয়ার সিদ্ধান্তটি বছরের প্রথম বৈঠকে সুপ্রিম হজ ও ওমরাহ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। নতুন এই ব্যবস্থা কুয়েতের সমন্বিত ই-গভর্নমেন্ট প্ল্যাটফর্ম সাহেলের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে এবং নির্ধারিত ডেডলাইনের আগ পর্যন্ত আগ্রহীরা হজের জন্য এই প্ল্যাটফর্মে আবেদন করতে পারবেন।
পুরুষ আবেদনকারীরা চাইলে একা অথবা সর্বোচ্চ ৫ জন আত্মীয়ের একটি গ্রুপ গঠন করে আবেদন করতে পারবেন। তবে নারীদের সেই সুযোগ নেই। হজযাত্রী হিসেবে সরকারি নিবন্ধনের জন্য যেসব নারী আবেদন করবেন, তাদেরকে অবশ্যেই আবেদন ফর্মে এমন একজন পুরুষ অভিভাবকের নাম উল্লেখ করতে হবে, যিনি আগে হজ করেছেন।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সাহেল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবেদন করতে হলে ১০ কুয়েতি দিনার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ হাজার ১৬ টকা) জমা দিতে হবে এবং এই অর্থ অফেরতযোগ্য। যাদের আবেদন গৃহীত হবে, তাদেরকে নিবন্ধন বাবদ আরও ১ হাজার ৫০০ কুয়েতি দিনার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬ লাখ ২ হাজার ৪৪৩ টাকা) পরিষোধ করতে হবে। যদি কেউ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই অর্থ প্রদান করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তার নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে এবং তার পরিবর্তে অপেক্ষমান তালিকায় আগে থাকা কোনও ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডেডলাইন শেষ হওয়ার পর সেই আবেদনপত্রগুলো যাচাই-বাছাই শেষে নিবন্ধিত হজযাত্রীদের সংখ্যা জানিয়ে দেবে সরকার।







