চট্টগ্রাম থেকে: দুর্বার রাজশাহীর বিপক্ষে দুই শতাধিক রানের সংগ্রহ গড়েছিল খুলনা টাইগার্স। পরে এনামুল হক বিজয়ের ঝড়ো সেঞ্চুরিতে দুইশো রান পেরিয়ে গেলেও জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারেনি রাজশাহী। খুলনার কাছে ৭ রানে হেরে গেছে দলটি। আসরে রাজশাহীর ৮ ম্যাচে পঞ্চম হার। দুই জয়ে আসর শুরু করা খুলনা টানা চার হারের পর জয়ের দেখা পেলো।
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাটের সিদ্ধান্ত নেয় খুলনা। নির্ধারিত ওভার শেষে ৪ উইকেটে ২০৯ রান তোলে। জবাবে নেমে ৪ উইকেটে ২০২ রানে পৌঁছাতে পারে রাজশাহীর ইনিংস।
আগে ব্যাটে নামা খুলনার হয়ে ফিফটি করেন দুই ব্যাটার। তিনটি করে চার ও ছক্কায় ৪২ বলে ৫৬ রান করেন আফিফ। শেষদিকে চারটি চার ও এক ছক্কায় ৩৭ বলে ৫৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন উইলিয়াম বোসিস্তো। মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৪ ছক্কায় ১২ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন। নাইম শেখ ১৪ বলে ২৭ এবং ১৩ বলে ২৬ রান করেন মিরাজ।
রাজশাহীর হয়ে তাসকিন আহমেদ দুটি উইকেট নেন। জিসান আলম নেন এক উইকেট।
জবাবে রাজশাহীকে ভালো শুরু এনে দেন জিসান আলম ও মোহাম্মদ হারিস। উদ্বোধনীতে ৪৭ রান তোলেন দুজনে। তিনটি চার ও দুই ছক্কায় ১৫ বলে ৩০ রান করে জিসান ফিরে গেলে জুটি ভাঙে। হারিসও ফিরে যান দ্রুত। ১৫ বলে ১৫ রান করেন পাকিস্তান ব্যাটার। পরে ইয়াসির আলী ২০ রানে এবং রায়ান বুর্ল ২৫ রানে ফিরে গেলেও লড়াই করে যান এনামুল হক বিজয়। রাজশাহী অধিনায়ক ইনিংসের শেষ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করলেও জেতাতে পারেননি। তার ৫৭ বলে ১০০ রানের অপরাজিত ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও ৫টি ছক্কার মার।
বিপিএলে এক আসরে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ড হল এবার। এপর্যন্ত মোট সাতটি সেঞ্চুরি হয়েছে চলতি আসরে। বিজয়ের আগে সেঞ্চুরি করেছেন উসমান খান, থিসারা পেরেরা, অ্যালেক্স হেলস, লিটন দাস, তানজিদ তামিম ও গ্রাহাম ক্লার্ক। ২০১৯ বিপিএলে সর্বোচ্চ ৬টি সেঞ্চুরি হয়েছিল।
খুলনার হয়ে হাসান মাহমুদ দুটি উইকেট নেন। একটি করে উইকেট নেন সালমান ইরশাদ ও আবু হায়দার রনি।








