ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষ বিদায় জানানোর অনুষ্ঠান হবে মোট ছয়টি শহরে। যারমধ্যে ইরাকের কারবালাও রয়েছে। ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান কারবালা। শিয়া মুসলিমরা কারবালাকে পবিত্র শহর হিসেবে বিবেচনা করেন।
আগামী শনিবার (৪ এপ্রিল) খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে।
এদিন রাজধানী তেহরানের নির্মানাধীন ইমাম খোমেনি মসজিদ কমপ্লেক্সে তার মরদেহ রাখা হবে। এরপর সোমবার তেহরানের প্রধান প্রধান সড়ক দিয়ে খামেনির মরদেহ নেওয়া হবে পবিত্র শহর কোমে। এরপর যথাক্রমে নাজাফ এবং ইরাকের কারাবালায়।
কারবালা থেকে ৯ জুলাই খামেনির জন্মস্থান মাসহাদে নেওয়া হবে তার মৃতদেহ। সেখানেই তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিদেশিরা তার শেষ বিদায়ে অংশ নেবেন। খামেনিকে বিদায় জানাতে দুই কোটির বেশি মানুষ জড়ো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশটির ইতিহাসে এটি সবচেয়ে বড় জানাজা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ থেকে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় অংশ নিতে তেহরানের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। অপরদিকে পাকিস্তান থেকে অংশ নেবেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও এই রাষ্ট্রীয় জানাজায় অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে ইরান।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েলের যৌথ হামলায় প্রাণ হারান ৮৬ বছর বয়সী খামেনি।








