নাইজারের সেনা অভ্যুত্থানের নেতারা বলেছেন, তারা গুরুতর রাষ্ট্রদ্রোহিতা এবং নিরাপত্তা নষ্ট করার দায়ে দেশটির ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজোমের বিচার করতে প্রস্তুত।
ভয়েস অফ আমেরিকা জানিয়েছে, নাইজারের সামরিক জান্তার মুখপাত্র কর্নেল আমাদু আবদ্রামানে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বক্তৃতায় বলেন, তারা যোগ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষের সামনে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট এবং তার দেশি ও বিদেশি সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক রাষ্ট্রদ্রোহিতা এবং নাইজারের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ণ করার প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহ করেছে।
এদিকে পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর অর্থনৈতিক সম্প্রদায় ইকোওয়াস কীভাবে নাইজারের বেসামরিক শাসন পুনরুদ্ধার করা যায় এবং কীভাবে সাংবিধানিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজোমকে পুনর্বহাল করা যায় তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে। গত মাসে দেশটির সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে।
এটি পশ্চিম এবং মধ্য আফ্রিকায় গত তিন বছরের মধ্যে সপ্তম অভ্যুত্থান। পশ্চিমা শক্তিগুলোর আশঙ্কা, নাইজার প্রতিবেশী মালি এবং বুরকিনা ফাসোকে অনুসরণ করলে রাশিয়ার প্রভাব বৃদ্ধি পাবে। উভয় দেশই সেই দেশগুলোতে অভ্যুত্থানের পরে প্রাক্তন ঔপনিবেশিক শক্তি ফ্রান্সের সেনাদেরকে বহিষ্কার করেছে।







